মাদারীপুরে কিশোরের লিঙ্গ কেটে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা হিজড়াদের

292
মাদারীপুরে কিশোরের লিঙ্গ কেটে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা হিজড়াদের
মাদারীপুরে কিশোরের লিঙ্গ কেটে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা হিজড়াদের

মাদারীপুরে এক কিশোরের লিঙ্গ কেটে দলে ভেড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় হিজড়াদের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ইয়াছিন চর গোবিন্দপুর এলাকার রেজাউল মোড়লের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী।

ইয়াছিন আরাফাত নামের ওই কিশোরকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে মাদারীপুর থেকে খুলনায় নিয়ে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে লিঙ্গ কাটার মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটানো হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াছিন মেয়েদের মতো কথা বলায় ও মেয়েলি হওয়ার কারণে তার লিঙ্গ কেটে দিয়েছে হিজড়াড়া। ঘটনার চারদিন পর ইয়াছিনকে প্রাইভেটকারে নিয়ে এসে পুনরায় মাদারীপুর শহরে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। প্রধান অভিযুক্ত নুরু বাবনাতলা মোড় এলাকার খলিল বকতির ছেলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলার মঠের বাজার থেকে ইয়াছিন আরাফাতকে জোর করে মাইক্রোবাসে তোলে স্থানীয় হিজড়াদের ভ্যানচালক নুরু বকতি। পরে ইয়াছিনকে নিয়ে যাওয়া হয় খুলনার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে। সেখানে তাকে অচেতন করে লিঙ্গ কেটে ফেলা হয়। পরে অবস্থা খারাপ হওয়ায় রোববার সকালে একটি প্রাইভেটকারে ইয়াছিনকে মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকায় রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

স্বজনদের অভিযোগ, স্থানীয় হিজড়াড়া নিজেদের দলে ভেড়াতেই ওই কিশোরের লিঙ্গ পরিবর্তন করে। ইয়াছিনের মেয়েদের মতো করে কথা বলার অভ্যাস থাকার কারণেই নিজেদের দল ভারি করতে হিজড়াড়া ইয়াছিনের সঙ্গে এমন অমানবিক ঘটনা ঘটিয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়েছেন তার স্বজনরা।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িতদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।