ধরে রাখুন স্মার্টফোনের চার্জ

193
স্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখার সবচেয়ে ফলদায়ক কৌশল হচ্ছে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা বা ব্রাইটনেস কম করে রাখা।
স্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখার সবচেয়ে ফলদায়ক কৌশল হচ্ছে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা বা ব্রাইটনেস কম করে রাখা।

স্মার্টফোন ছাড়া আমার চলেই না- এটাই যেন বর্তমান সময়ের বেশিরভাগ মানুষের স্লোগান। হাতে থাকা এই ম্যাজিক ডিভাইসটিতে ঘন্টার পর ঘন্টা বুঁদ হয়ে থাকেন অনেকেই। যন্ত্র বলে কথা! একটানা সার্ভিস দিতে দিতে বেচারার ফুয়েল মানে চার্জতো শেষ হবেই। কিন্তু স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর বিরক্তি চরমে ওঠে ফোনের চার্জ চলে গেলে। এই বিরক্তিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায় কিছু কৌশল অবলম্বন করলে। স্মার্টফোনে দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখার এসব কৌশলের মধ্যে রয়েছে :

স্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখার সবচেয়ে ফলদায়ক কৌশল হচ্ছে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা বা ব্রাইটনেস কম করে রাখা। সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি খায় স্মার্টফোনের স্ক্রিনের ব্রাইটনেস। তাই স্মার্টফোনের ডিসপ্লে ব্রাইটনেস যত বেশি সময় কমিয়ে রাখবেন তত বেশি চার্জ থাকবে আপনার ডিভাইসে।

স্মার্টফোনে সবসময় ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ কানেক্ট করে না রেখে শুধু প্রয়োজনের সময় কানেক্ট করুন। কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর স্মার্টফোনের ওয়াইফাই বন্ধ করে দিতে পারেন। কর্মস্থলে পৌঁছানোর পর আবার চালু করে নিন ওয়াইফাই। সবসময় ফোনের ওয়াইফাই চালু না রেখে যতটা সম্ভব সময় ধরে বন্ধ রাখুন। এতে করে ফোনের ব্যাটারি খরচ অনেকটাই বেঁচে যাবে।

চেষ্টা করুন সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে স্মার্টফোন চার্জ দেওয়ার। খুব তাড়াতাড়ি চার্জ করে ফেলতে পারে এমন চার্জার ব্যবহার না করাই ভালো। সবসময় উন্নতমানের চার্জার ব্যবহার করুন। খুব ভালো হয় যদি সবসময় আপনার স্মার্টফোনের নিজস্ব চার্জারটি ব্যবহার করেন।

সারারাত ফোন চার্জ দেওয়ার বদভ্যাস থেকে থাকলে আজই তা ঝেটিয়ে বিদায় করুন। স্মার্টফোনে ফুল বা ১০০% চার্জ কখনোই করবেন না। পক্ষান্তরে স্মার্টফোনের চার্জ কখনো শূন্যের কোঠায়ও আসতে দেবেন না। এতে করে ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা হ্রাস পেতে শুরু করে। সবচেয়ে ভালো হয় ফোনের চার্জ লেভেল ৮০-৯০ শতাংশের মধ্যে থাকলে। আর যদি ৬০ শতাংশ চার্জ হওয়ার পর আপনার ফোনে চার্জ দেওয়া বন্ধ করতে পারেন তাহলে দীর্ঘদিন ধরে ভালো ব্যাকআপ পাবেন আপনার ফোনের ব্যাটারি থেকে।

খুব বেশি প্রয়োজন না হলে আপনার স্মার্টফোনের লোকেশন ট্র্যাকার বন্ধ করে রাখুন। প্রয়োজন হলে লোকেশন ট্র্যাকার চালু করুন। প্রয়োজন শেষে বন্ধ করে দিন।

ফোনে অনেক অনেক অ্যাপ ব্যবহার না করে শুধু দরকারি অ্যাপগুলোই ইনস্টল করে ব্যবহার করুন। এছাড়া ইনস্টল করা সব অ্যাপ সবসময় অযথা চালু না রাখাই ভালো। কারণ বিভিন্ন অ্যাপ স্মার্টফোনের চার্জ অনেক বেশি ক্ষয় করে।