বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা কিশোরী থেকে নারীর পর আরও তিন রেকর্ড গিলগির (ভিডিও)

122

২০১৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা কিশোরীর তকমা জুটেছিল তুরস্কের রামেসা গিলগির। তখন তার বয়স ছিল ১৭ বছর। আট বছর পর ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ২৫ বছর বয়সে পা রাখেন ৭ ফুট ০.৭ ইঞ্চি উচ্চতার গিলগি। শুধু লম্বা কিশোরীই নয়, সবচেয়ে লম্বা নারীর রেকর্ডধারী গিলগি বগলদাবা করেছেন আরও তিনটি রেকর্ড।

বেঁচে থাকা নারীদের মধ্যে এ যাবৎ কালের দীর্ঘতম আঙুলের অধিকারিনী এই গিলগি। তার একটি আঙুলের দৈর্ঘ্য ৪.৪০ ইঞ্চি। সবচেয়ে লম্বা হাতের অধিকারীও তিনি। তার ডান ও বাম হাত যথাক্রমে ৯.৮১ ইঞ্চি ও ৯.৫৫ ইঞ্চি। এছাড়া দীর্ঘতম পিঠের অধিকারিনী তিনি। তার পিঠের দৈর্ঘ্য ২৩.৫৮ ইঞ্চি।

ইতোমধ্যে গিলগিকে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যাচাই-বাছাইয়ের পর নিশ্চিত হওয়া যায়, গিলগির চেয়ে লম্বা আঙুল, হাত ও পিঠ বিশ্বের আর কারও নেই।

একের পর এক নিত্যনতুন সব রেকর্ড করার পর স্বভাবতই দারুণ খুশি গিলগি। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে গিলগি বলেন, রেকর্ড হোল্ডার হওয়াটা খুবই অবাক করার মতো একটি বিষয়। আমি জানি, শুধুমাত্র বিশেষ মানুষরাই রেকর্ড গড়তে পারেন। আমি এখন তাদেরই একজন।

উল্লেখ্য, গিলগির শরীরের অস্বাভাবিক এই উচ্চতা প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে হয়নি। ওয়েভার সিনড্রম রোগের প্রভাবে তার শারীরিক উচ্চতা মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে।

মাত্রাতিরিক্ত উচ্চতার কারণে রীতিমতো তারকা বনে গেছেন গিলগি। তবে খ্যাতির পাশাপাশি নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয় তাকে। তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারেন না। চলাফেরার জন্য তাকে সবসময় হুইলচেয়ার ব্যবহার করতে হয়। তবে ওয়াকারের সাহায্য নিয়ে অল্প সময়ের জন্য হাঁটহাঁটি করতে পারেন তিনি। সাঁতার কাটতেও পারেন তিনি। তার অন্যতম পছন্দের কাজ এই সাঁতার কাটা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতেও তিনি দারুণ পছন্দ করেন।