dark_mode
Sunday, 05 February 2023
Logo

শীতকালে অলসতা দূর করার কিছু উপায় (ভিডিও)

শীতকালে অলসতা দূর করার কিছু উপায় (ভিডিও)

দেশজুড়ে তীব্র শীতের দাপটে নাজেহাল মানুষের জীবন। ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক কর্মকান্ড। খুব বেশি জরুরি না হলে পারতপক্ষে ঘর থেকে বের হতে চাইছেন না মানুষ। বিশেষ করে শীতের সকালে আরামের ঘুম থেকে উঠতে মন চায় না। বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত যে, শীতকালে অলসতা বেড়ে যায়। কিন্তু জীবন ও জীবিকার তাগিদে মন না চাইলেও অলসতাকে ঝেঁটিয়ে বিদায় দিয়ে স্বাভাবিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না বেশিরভাগ মানুষের। শীতকালের অলসতা দূর করতে চাইলে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। জেনে নেয়া যাক আলসেমি কাটানোর সেই নিয়মগুলো।

 

শীতের অলসতা দূর করার জন্য মোক্ষম হাতিয়ার হতে পারে এক গ্লাস পানি। ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে এক গ্লাস পানি পান করুন। দেখবেন অনেকটাই চাঙ্গা লাগছে।

 

গোসল করেও অলসতা দূর করতে পারেন আপনি। যদিও শীতকালে গোসল করাটা বেশ কষ্টকর কাজ, তারপরও সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি গোসলটা সেরে নিতে পারেন তাহলে আলসেমি অনেকটাই কেটে যাবে।


ঘুম থেকে ওঠার পর বিছানায় গা এলিয়ে পড়ে না থেকে নিচে নামুন। একটু হাঁটাচলা করুন। দুই থেকে তিন মিনিট হাঁটলেই দেখবেন ঘুমঘুম ভাবটা কেটে গেছে। 

 

সকালে ঘুম থেকে উঠেই হালকা ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এতে দ্রুত অলসতা কেটে যাবে। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু যোগব্যায়াম করলে সকালে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা যায়। এ ধরনের যোগব্যায়াম রপ্ত করার চেষ্টা করুন। যোগব্যায়ামের এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে অলসতা দূর করার পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবেন আপনি।

 

সকালে যাতে আপনার বেডরুমে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ করতে পারে সেই ব্যবস্থা রাখুন। বিশেষ করে খেয়াল রাখুন, সকালে যেন ঠিকমতো সূর্যের আলো ঢুকতে পারে আপনার ঘরে। ভারি পর্দা টেনে ঘর যত অন্ধকার করে রাখবেন না। সকালে ঘর অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকলে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হবেই।


দেহঘড়ির সঙ্গে মনঘড়িটাও সচল রাখুন। সকালে কখন ঘুম থেকে জেগে উঠবেন সেটা রাতে ঘুমানোর আগেই মনকে বলে করে রাখুন। অবচেতন মন দ্বিধাগ্রস্ত থাকলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটা খুবই স্বাভাবিক।

 

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পরদিন সকালে তাড়াতাড়ি উঠতেই হবে বলে মনের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না। রাতে বিছানায় শুয়ে বারবার যদি চিন্তা করেন পরদিন সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে তাহলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটবে। ফলশ্রুতিতে ঘুম আসতে দেরি হবে। অবশেষে পরদিন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার সব পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

 

কাজ থাকলেই শুধু সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠবেন, আর কাজ না থাকলে উঠবেন না- এমনটা না করাই ভালো। বরং জীবনযাপন পদ্ধতির একটি নির্দিষ্ট তৈরি করে ফেলুন। চেষ্টা করুন প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর এবং পরদিন একই সময়ে জেগে ওঠার।

 

ভুলেও মাত্রাতিরিক্ত আওয়াজের অ্যালার্ম টোন দিয়ে রাখবেন না মোবাইল কিংবা ঘড়িতে। স্বাভাবিক অ্যালার্ম টোন নির্দিষ্ট সময়ে আপনাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে দেয়ার মোক্ষম এক অস্ত্র। তবে অ্যালার্ম টোন খুব বেশি তীব্র হলে তাৎক্ষণিকভাবে আপনার ঘুম হয়তো ভাঙবে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি ছন্দে ফিরতে সমস্যা হবে। হয়তো দেখা যাবে, বিরক্তিকর অ্যালার্ম টোন শুনে তা বন্ধ করে আবার ঘুমিয়ে পড়েছেন আপনি।

 

comment / reply_from

newsletter

newsletter_description