dark_mode
Monday, 05 December 2022
Logo

দুবলারচরে জেলের জালে ভয়ংকর দর্শন বিরল মাছ (ভিডিও)

দুবলারচরে জেলের জালে ভয়ংকর দর্শন বিরল মাছ (ভিডিও)

সুন্দরবনের দুবলারচর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বিরল প্রজাতির নাম না জানা ভয়ংকর দর্শন একটি মাছ পাওয়া গেছে। মাছটির ওজন দুই কেজি, মুখে রয়েছে পিরানহা মাছের মতো দাঁত। সম্প্রতি সাগরে মাছ ধরার সময় এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এ ধরনের মাছ আগে কখনোই তাদের চোখে পড়েনি।

গভীর সমুদ্রে নাম না জানা অদ্ভুত মাছটি পাওয়ার পর সেটি আলোরকোল জেলে পল্লীতে নেওয়া হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে জেলা মৎস কর্মকর্তার ধারণা, বিরল প্রজাতির মাছটির নাম শিপসহেড ফিশ হতে পারে। ভেড়ার মুখের আদলের সঙ্গে মাছটির মুখের আদলের সাদৃশ্য থাকায় এর নামকরণ করা হয়েছে শিপসহেড ফিশ। 

এ বিষয়ে রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি জানান, সাতক্ষীরার একজন জেলে সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেন। পরে জাল উঠিয়ে দেখতে পান তার জালে বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি তিনি আলোরকোল জেলে পল্লীতে নিয়ে যান। দুই কেজি ওজনের মাছটির মুখে পিরানহা মাছের মতো দাঁত আছে। মাছটির নাম কেউ বলতে পারছেন না। শুধু তাই নয়, এ ধরনের মাছ আগে কেউ কখনো দেখেননি বলেও জানান রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি।

এদিকে দিন কয়েক আগেই পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরের শুঁটকি পল্লীর জেলেদের জালে ধরা পড়ে মহামূল্যবান একটি সামুদ্রিক তেলে ভোলা যেটি ভোল মাছ নামেও পরিচিত। ২৮ কেজি ওজনের বিশাল মাছটি বিক্রি হয় আট লাখ টাকায়। আলোরকোল জেলে পল্লীতে নিলাম ডাকের মাধ্যমে মাছটি ক্রয় করেন খুলনার একজন মাছ ব্যবসায়ী।

উল্লেখ্য, সামুদ্রিক ভোল মাছের ফুসফুস থেকে তৈরি হয় সার্জিক্যাল রোপ। এছাড়া এই মাছ থেকে তৈরি সুপ চড়া দামে বিক্রি হয় বিদেশে। উচ্চ পুষ্টিগুণে ভরপুর মাছটি মানবদেহের বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মূলত এ কারণেই এই মাছের এত দাম।

আলোরকোল জেলে পল্লীর কয়েকজন জেলে ট্রলার নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। সন্ধ্যার দিকে জাল তোলার পর অন্যান্য মাছের সঙ্গে মহামূল্যবান ভোল মাছটিও উঠে আসে। জেলেরা মাছটি নিয়ে আলোরকোল জেলে পল্লীতে ফিরলে মেপে দেখা যায় এর ওজন ২৮ কেজি। বিশাল আকৃতির মাছটি নিলামে তোলা হয়। দাম ধরা হয় ১০ লাখ টাকা। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত দামের চেয়ে দুই লাখ টাকা কমে বিক্রি হয় মাছটি।

এ বিষয়ে দুবলার চরের ফিশারমেন গ্রুপের সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, মূল্যবান এই ভোল মাছ সচরাচর খুব একটা চোখে পড়ে না। মৌসুমে খুব বেশি হলে ২/১টি পাওয়া যায়। গত বছর শুঁটকি মৌসুমে দুটি ভোল মাছ ধরা পড়েছিলো বলেও জানান দুবলার চরের ফিশারমেন গ্রুপের সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমেদ।

 

comment / reply_from

newsletter

newsletter_description