dark_mode
Monday, 05 December 2022
Logo

গাঁজা সেবনে সঙ্গমের ক্ষমতা বাড়ে ৩ গুণ, বলছে গবেষণা

গাঁজা সেবনে সঙ্গমের ক্ষমতা বাড়ে ৩ গুণ, বলছে গবেষণা

ভারতীয় উপমহাদেশে নিষিদ্ধ এক মাদকের নাম গাঁজা। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গাঁজা সেবন বৈধ। এসব দেশের মধ্যে বেশিরভাগ দেশেই গাঁজা সেবন বৈধ করা হয়েছে ২০০০ সালের পর।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে কানাডায় বিনোদনমূলক নেশাদ্রব্য হিসেবে গাঁজাসেবনকে বৈধ করা। বিষয়টি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অতীতে কানাডায় গাঁজা নিষিদ্ধ হলেও ২০১৮ সালে সব রকমের গাঁজা সেবন এবং চাষের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় কানাডা সরকার। রীতিমতো নতুন আইন বানিয়ে গাঁজা সার্বিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয় দেশটিতে।

উপমহাদেশে গাঁজা সেবন নিষিদ্ধ হলেও গাঁজা খাওয়ার বেশ কয়েকটি উপকারের কথা জানানো হয়েছে এক গবেষণার ফলাফলে। সেখানে বলা হয়েছে, গাঁজা সেবন করলে সঙ্গমের ক্ষমতা তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় দেখা গেছে, গাঁজা সেবনের পর শরীরের সব হরমোন সতেজ হয়ে ওঠে। এছাড়া গাঁজা সেবনে হজম ক্ষমতা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। অনেকেই কমবেশি জানেন যে, গাঁজা খেলে ক্ষুধা বেড়ে যায়। কিন্তু এর পেছনের কারণ হয়তো অনেকেই জানে না। কারণ গাঁজা সেবনের পর খাবার দ্রুত হজম হয়ে যায় এবং ক্ষুধা লাগে।

কানাডার একদল গবেষক জানিয়েছেন, গাঁজা সেবনে সঙ্গমের ক্ষমতা তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গাঁজা সেবন করার পর শারীরিক সম্পর্কে মেতে উঠেছেন এমন কয়েকজন যুগলের ওপর জরিপ চালানো হয়। তাদের প্রত্যেকেই জানান, গাঁজা সেবন করার পর সঙ্গম ভীষণ উপভোগ করেছেন তারা।

গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের ক্ষেত্রে সঙ্গমের সময় বৃদ্ধি পায় অনেকক্ষণ। অন্যদিকে গাঁজা সেবন করলে আবেদনময়ী হয়ে ওঠেন নারীরা। গাঁজার প্রভাব বিছানায় অনেক বেশি সক্রিয় কেরে তোলে তাদের।

জরিপে অংশ নেওয়া একাধিক যুগল জানিয়েছেন, গাঁজা খেলে এক ঝটকায় মনের বয়স যেন অনেকটাই কমে যায়। গাঁজা সেবন করে মধ্য বয়সেও যৌবনের তুলনায় অনেক বেশি উত্তেজক যৌ-নজীবন উপভোগ করছেন তারা।

গবেষণার ফলাফলে আরও কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যেমন গাঁজা সেবনের ফলে মন এবং মস্তিষ্কে বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটে। গাঁজা মূলত শুকনো নেশা। এজন্য সহসাই শরীরের ওপর খুব একটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। কিন্তু নিয়মিত গাঁজা সেবন অবশ্যই ক্ষতিকর।

গবেষকদের মতামত অনুযায়ী, গাঁজায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা মনের ওপর প্রভাব ফেলে। অন্যান্য ভয়ঙ্কর নেশাদ্রব্য ব্যবহার থেকে বাঁচতে কিংবা মানসিক রোগের চিকিত্‍সাতেও গাঁজার ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। মারিজুয়ানা বা গাঁজা এক ধরনের ওষুধ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

গাঁজা মৃগীরোগের চিকিত্‍সায়ও ব্যবহৃত হয়। নির্দিষ্ট পরিমাণে গাঁজা সেবন করলে মৃগী জাতীয় স্নায়ুরোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।

comment / reply_from

newsletter

newsletter_description