পটুয়াখালীতে ‘কুত্তা কালাম’ বলে গালি দেওয়ায় কামড় খেয়ে আহত ৬

112
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কুকুর বলে গালি দেওয়ায় নারী, শিশুসহ একই পরিবারের ছয়জনকে কামড়ে দিয়ে আলোচিত খবরের জন্ম দিলেন মো. কালাম সর্দার (৫০) নামের এক ব্যক্তি। তাকে একটি শিশু ‘কুত্তা কালাম’ বলে ডাক দিলে এমন অদ্ভুত কান্ড ঘটিয়ে ছয়জনকে হাসপাতালে পাঠান তিনি। আহতদের মধ্যে মাত্র ছয়মাস বয়সী একটি শিশুও রয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কুকুর বলে গালি দেওয়ায় নারী, শিশুসহ একই পরিবারের ছয়জনকে কামড়ে দিয়ে আলোচিত খবরের জন্ম দিলেন মো. কালাম সর্দার (৫০) নামের এক ব্যক্তি। তাকে একটি শিশু ‘কুত্তা কালাম’ বলে ডাক দিলে এমন অদ্ভুত কান্ড ঘটিয়ে ছয়জনকে হাসপাতালে পাঠান তিনি। আহতদের মধ্যে মাত্র ছয়মাস বয়সী একটি শিশুও রয়েছে।

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কুকুর বলে গালি দেওয়ায় নারী, শিশুসহ একই পরিবারের ছয়জনকে কামড়ে দিয়ে আলোচিত খবরের জন্ম দিলেন মো. কালাম সর্দার (৫০) নামের এক ব্যক্তি। তাকে একটি শিশু ‘কুত্তা কালাম’ বলে ডাক দিলে এমন অদ্ভুত কান্ড ঘটিয়ে ছয়জনকে হাসপাতালে পাঠান তিনি। আহতদের মধ্যে মাত্র ছয়মাস বয়সী একটি শিশুও রয়েছে। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার, ২২ এপ্রিল বিকেলে একসঙ্গে ছয়জন মানুষকে কামড় দেওয়ার মতো অবাক এই কান্ড ঘটেছে দুমকি উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ঝাটরা গ্রামে।

কালাম সর্দারের কামড়ে আহত হয়েছেন পশ্চিম ঝাটরা গ্রামের সাত্তার শিকদারের স্ত্রী মাসুদা বেগম (৫০), সাত্তার শিকদারের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (২০), সাত্তার শিকদারের ছেলে আল-আমিনের ছয় মাসের শিশুপুত্র রাইয়ান, সাইদুল শিকদারের ছেলে শাকিল (১৪), আনোয়ার শিকদারের স্ত্রী লাভলী বেগম (২৭) এবং সুলতান শিকদারের ভাগ্নে কাজল হোসেনের মেয়ে তাসমিম (১২)। আহত প্রত্যেককে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

একই এলাকার মৃত কাদের সরদারের ছেলের বিরুদ্ধে কামড়ে ছয়জনকে আহত করার পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন- মো. কালাম সর্দার (৫০), তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৪৫), মেয়ে সীমা বেগম (৩০), সুখী বেগম (২০), মেয়ের জামাই মো. মাইদুল ইসলাম (৩০), সালাম সরদার (৬০), তার স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫০), মেয়ে মানসুরা বেগম (২২) ও মনি আক্তার (১৫)।

শুক্রবার বিকেলে জব্বার মাস্টারের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কালাম সর্দারকে ‘কুত্তা কালাম’ বলে ডাক দেয় বাবুল হাওলাদারের ১০ বছর বয়সী ছেলে বিজয়। তিনি মনে করেন, সাত্তার শিকদার ও আনোয়ার শিকদারের পরিবারের সদস্যরা বিজয়কে গালি দিতে শিখিয়ে দিয়েছে। কারণ সাত্তার ও আনোয়ার শিকদারের পরিবারের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।

প্রথমে সাত্তার শিকদার ও আনোয়ার শিকদারে বাড়িতে গিয়ে গাল দেওয়ার কথা জানান কালাম সর্দার। পরে দলবল নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান।

এ প্রসঙ্গে ঘটনার শিকার আনোয়ার শিকদারের স্ত্রী লাভলী বেগম বলেন, বিজয় কালাম সর্দারকে ‘কুত্তা কালাম’ বলে গালি দিলে তিনি ক্ষিপ্ত হন। তার ধারণা, বিজয়কে গালি দেওয়ার কথা আমরা শিখিয়ে দিয়েছি। তাই আমাদের ছয়জনকে কামড় দিয়ে আহত করেন। শুধু তাই নয়, দলবল নিয়ে বসতঘরে ভাঙচুরও চালান।

অবশ্য অভিযুক্ত কালাম সর্দারের পরিবারের সদস্যরা কামড় দেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করেছেন।

এর আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে জানিয়ে ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজান সর্দার বলেন, সালাম ও কালামের পরিবারের সদস্যরা খুব খারাপ। তারা এর আগেও মৌলভী আব্দুল বারী, খালিদ হোসেন ও সোবহান সর্দারকে কামড় দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুস সালাম বলেন, আমরা এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।