রোজা রেখেও স্ত্রীকে চুমু দেয়া যায়!

232
একজন যুবক এসে প্রশ্ন করলো- আল্লাহর রাসূল! আমি কি রোজা অবস্থায় চুম্বন করতে পারি? নবী (সা.) বললেন, না। এরপর এক বৃদ্ধ এসে একই প্রশ্ন করলো। তখন নবী (সা.) বললেন, হ্যাঁ।
একজন যুবক এসে প্রশ্ন করলো- আল্লাহর রাসূল! আমি কি রোজা অবস্থায় চুম্বন করতে পারি? নবী (সা.) বললেন, না। এরপর এক বৃদ্ধ এসে একই প্রশ্ন করলো। তখন নবী (সা.) বললেন, হ্যাঁ।

রোজা ভঙ্গের কিছু কারণ নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি কাজ করে। সঠিকভাবে না জেনেই তারা মনে করে, রোজার ক্ষতি করে ফেলেছে। রোজাভঙ্গের সঠিক কারণ না জেনেই বিভ্রান্তিকর সেসব কাজ করে ফেললে রোজা ভেঙ্গে গেছে মনে করে ইচ্ছাকৃতভাবে খাবার খেয়ে রোজা ভেঙে ফেলেন। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চুম্বন। বীর্যপাত কিংবা সহবাসে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে স্ত্রীকে চুমু খাওয়ায় কোনো বাধা নেই। এতে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।

এ প্রসঙ্গে হজরত আয়েশা (রা.) এর ভাষ্য, রাসূলুল্লাহ (সা.) রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। স্ত্রীর সাথে মুবাশারাও (আলিঙ্গন) করতেন। তিনি ছিলেন তার যৌনাকাঙ্ক্ষাকে নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সক্ষম ব্যক্তি। (বুখারী-১৯২৭)

যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা তরুণ বা যুবকদের সাধারণত বয়স্কদের তুলনায় কম থাকে। তাই রোজা রেখে চুম্বনের ক্ষেত্রে তাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

এ বিষয়ে একটি ঘটনা উল্লেখপূর্বক সাহাবী আমর ইবনে আল আস (রা.) বলেন, আমরা নবী (সা.) এর কাছেই ছিলাম। এমন সময় একজন যুবক এসে প্রশ্ন করলো- আল্লাহর রাসূল! আমি কি রোজা অবস্থায় চুম্বন করতে পারি? নবী (সা.) বললেন, না। এরপর এক বৃদ্ধ এসে একই প্রশ্ন করলো। তখন নবী (সা.) বললেন, হ্যাঁ। আমরা তখন বিস্মিত হয়ে একে অন্যের দিকে তাকাচ্ছিলাম। নবী (সা.) বললেন, আমি জানি, তোমরা কেন একে অন্যের দিকে তাকাচ্ছো। শোনো, বৃদ্ধ ব্যক্তি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। (মুসনাদে আহমদ ২/১৮০, ২৫০)