একই বছরে ২ রমজান, ৩ ঈদ! (ভিডিও)

507

হিজরি সালের হিসাব অনুযায়ী এক বছরে দুটি ঈদ পাওয়া যায়- ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। খ্রিষ্ট্রীয় বা ইংরেজি সাল হিজরি সালের চেয়ে দশদিন বেশি।কোনো বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম দশ দিনে যদি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহা পড়ে তাহলে বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের শেষ দশদিনে আরেকটি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহা পাওয়া যায়। জানুয়ারির প্রথম ১০ দিনে ঈদুল ফিতর হলে দুই মাস ১০ দিন পর মার্চে ঈদুল আজহা পাওয়া যায়। এমনটা ঘটে ৩২ বছর পর পর।

আবার যে বছর জানুয়ারির প্রথম ১০ দিনের মধ্যে ঈদুল আজহা পড়ে, সে বছর দুটি কোরবানীর ঈদ ও একটি ঈদুল ফিতর পালিত হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদ। প্রতিবছর পুরো রমজান মাস রোজা পালন শেষে সবাই ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতে ওঠে। মজার বিষয় হলো, ২০৩০ সালে ঈদের আনন্দের মাত্রাটা যাবে বেড়ে। কারণ সেই বছর দুটি রমজান মাস ও দুটি ঈদুল ফিতর পাওয়া যাবে।

তার মানে ২০৩০ সালে হ্যাট্টিক আনন্দ নিয়ে হাজির হবে ঈদ। সে বছর দুটি ঈদুল ফিতর ও একটি ঈদুল আজহা মিলেয়ে ৩টি ঈদের আনন্দে মেতে উঠবেন মুসলিমরা।

কাল্পনিক কোনো তথ্য নয়, চাঁদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে ও লুনার ক্যালেন্ডার অনুযায়ী একই বছরে দুটি রমজান ও তিনটি ঈদ উদযাপনের বিস্ময়কর তথ্য জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে চন্দ্র গবেষক মিনহাল খান জানান, লুনার ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতি বছর রমজান মাস ১০ দিন এগিয়ে আসে। কাজেই ২০৩০ সালের জানুয়ারি মাসে একটি রমজান ও একই বছরের ডিসেম্বরে গিয়ে আরেকটি রমজান মাস পাওয়া যাবে।

দুবাইয়ের জ্যোতির্বিদরাও একই রকম তথ্য জানিয়েছেন। তাদের মতে, বর্তমানে সারাবিশ্বে সৌর পঞ্জিকা ব্যবহার করা হয় যা সরাসরি সূর্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। অন্যদিকে ইসলামে লুনার ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হয় যা পুরোপুরি চাঁদের ওপর নির্ভরশীল। তাই ২০৩০ সালে দুটি রমজান পাওয়া যাবে।