যাত্রী বনাম বিমানবালা

231
বিকৃত রুচির কিছু যাত্রীর যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতার হাত থেকেও রক্ষা পান বিমানবালারা।
বিকৃত রুচির কিছু যাত্রীর যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতার হাত থেকেও রক্ষা পান বিমানবালারা।

বিমানবালা। গ্ল্যামারাস ও লোভনীয় এক পেশার নাম। অনেকেই মুখিয়ে থাকেন এই চাকরি করার জন্য। রথ দেখা কলা বেচার মতোই যেন এই চাকরি! বিমানে চড়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ানোও যায়, আবার কাড়ি কাড়ি টাকাও কামানো যায়। তবে কোনো কাজই ঝামেলামুক্ত নয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় বিমানের ভেতর হরহামেশাই বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় বিমানবালাদের। বিশেষ করে যাত্রীদের অদ্ভুত ও অসহনীয় নানা আচরণ মুখ বুজে সইতে হয় বিমানবালাদের।

বিমানবালারা সবচেয়ে বেশি বিব্রতবোধ করেন যখন শিশুদের নোংরা ডায়াপার তাদের ফেলতে বলা হয়। তারা একদমই এই কাজটি করতে চান না।

কোন পানীয় নেবেন তা নিয়ে যাত্রীদের কালক্ষেপণ বিমানবালাদের জন্য আরেকটি অপছন্দের বিষয়। এটি তাদের জন্য রীতিমতো অস্বস্তিকর। তাদের চাওয়া- যাত্রীরা যেন দ্রুত পানীয় অর্ডার করেন।

অনেক যাত্রী বিমানের আসনের পেছনে ময়লা ফেলেন। এটাও ভীষণ বিরক্তিকর বিমানবালাদের কাছে।

অনেক যাত্রী খাবার অর্ডার করার সময় কান থেকে হেডফোন খোলেন না। তাদের ভাবভঙ্গি দেখে মনে হয়, বিমানবালারা যেন মানুষই না! যে কোনো মানুষের সঙ্গেই হেডফোন কান থেকে খুলে কথা বলা স্বাভাবিক ভদ্রতার অংশ। যাত্রীদের কাছ থেকে নূন্যতম এই ভদ্রতা আশা করতেই পারেন বিমানবালারা।

অনেক যাত্রীতো আবার বিমানবালাদের মুখে না ডেকে জামা ধরে টানতে থাকেন। এতে বিমানবালারা যে কতটা বিব্রত হন তা বলাই বাহুল্য।

বিকৃত রুচির কিছু যাত্রীর যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতার হাত থেকেও রক্ষা পান বিমানবালারা। মাঝ আকাশে বিমানবালাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার দায়ে বিমানের জরুরি অবতরণ অতঃপর যাত্রীকে পুলিশে দেওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনাও ঘটেছে।