Home খবর জাতীয় সীতাকুন্ড বিস্ফোরণে ৯ ফায়ার সার্ভিস কর্মী নিহত

সীতাকুন্ড বিস্ফোরণে ৯ ফায়ার সার্ভিস কর্মী নিহত

ঘটনার ভয়াবহতা ও চোখের সামনে সহকর্মীদের হারানোর কথা বলতে গিয়ে চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শী আহত ফায়ার সার্ভিস কর্মী মো. সোহেল। কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি জানান, তারা সবাই আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিলেন। এসময় চোখের সামনেই পাঁচ সহকর্মীকে হারিয়েছেন তিনি।
ঘটনার ভয়াবহতা ও চোখের সামনে সহকর্মীদের হারানোর কথা বলতে গিয়ে চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শী আহত ফায়ার সার্ভিস কর্মী মো. সোহেল। কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি জানান, তারা সবাই আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিলেন। এসময় চোখের সামনেই পাঁচ সহকর্মীকে হারিয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ৯ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার নাম মনিরুজ্জামান। তিনি কুমিরা ফায়ার স্টেশনে নার্সিং অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়া আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি ১৫ জনের মধ্যে গুরুতর দুজনকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ৫ জুন এসব তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার মো. মাইন উদ্দিন। দুর্ঘটনাস্থল বিএম কনটেইনার ডিপোতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের মতো অধিক দাহ্য পদার্থ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার মো. মাইন উদ্দিন।

ঘটনার ভয়াবহতা ও চোখের সামনে সহকর্মীদের হারানোর কথা বলতে গিয়ে চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শী আহত ফায়ার সার্ভিস কর্মী মো. সোহেল। কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি জানান, তারা সবাই আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিলেন। এসময় চোখের সামনেই পাঁচ সহকর্মীকে হারিয়েছেন তিনি।

সীতাকুন্ড বিস্ফোরণে নিহত ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মাত্র এক সপ্তাহ আগে কন্যা সন্তানের বাবা হন। কিন্তু মেয়ের মুখ দেখে যেতে পারেননি তিনি। ছুটি নিয়ে মেয়েকে দেখতে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার আগেই কর্তব্য পালন করতে গিয়ে পৃথিবী থেকেই ছুটি নিয়ে চলে যেতে হয়েছে তাকে। মনিরুজ্জামানের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নাইয়ারা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হকের ছেলে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে এখন পর্যন্ত ৪২ জন মারা গেছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য, শনিবার, ৪ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিএম ডিপোর কনটেইনারের রাসায়নিক থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রায় চার কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা যায় সেই বিস্ফোরণের বিকট শব্দ। বিস্ফোরণের পরপরই কনটেইনার ডিপোতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

Exit mobile version