সিলেটে ৩১৯ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত

94
সিলেট বিভাগে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আরো ৩১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ ১৫৫ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর বাইরে সিলেটে ৪৩ জন, হবিগঞ্জে ৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে ৪৬ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।
সিলেট বিভাগে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আরো ৩১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ ১৫৫ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর বাইরে সিলেটে ৪৩ জন, হবিগঞ্জে ৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে ৪৬ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আবুল কাশেম রুমন, সিলেট থেকে: সিলেট জুড়ে ভয়াবহ বন্যা কবলিত এলাকায় পানিবাহিত রোগ ও ডায়রিয়া রোগের পরিসংখ্যান দিন দিন বাড়ছে। সুনামগঞ্জ, সিলেট ও হবিগঞ্জে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

সিলেট বিভাগে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আরো ৩১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ ১৫৫ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর বাইরে সিলেটে ৪৩ জন, হবিগঞ্জে ৭৫ জন ও মৌলভীবাজারে ৪৬ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

বন্যার পর থেকে এ পর্যন্ত এ বিভাগে ডায়রিয়াসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৫৩ জন বলে জানিয়েছে সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগ।

এদিকে চতুর্থ বারের মতো সিলেটে আবারও বন্যার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি বন্যার করালগ্রাসে বিপর্যস্ত হয় পুরো সিলেট। জুনের মধ্যভাগে আসা বন্যার পানি এখনও পুরোপুরি নামেনি। তবে নদ-নদীর পানি কিছুটা কমায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ছিল খানিকটা। কিন্তু আবারও বাড়ছে সিলেট অঞ্চলের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার পানি। অবশ্য কুশিয়ারার পানি বাড়ছে ধীরে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য থেকে মিলেছে এমন তথ্য। পাউবো জানায়, সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ১০.৫৯ সেন্টিমিটার। বুধবার (২৯ জুন) দুপুর ১২টায় দাঁড়িয়েছে ১০.৭৫ সেন্টিমিটার।

এ নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১৩.৩৫ সেন্টিমিটার ছিল। বুধবার দুপুরে হয়েছে ১৩.৬৪ সেন্টিমিটার। বিপৎসীমার দশমিক ৮৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে পানি।

কুশিয়ারা নদীর আমলশিদ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১.১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শেওলা পয়েন্টেও কুশিয়ারার পানি বিপজ্জনকভাবে বইছে। এখানে বিপৎসীমার দশমিক ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে পানি।

কুশিয়ারার পানি শেরপুর পয়েন্টে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছিল ৮.০২ সেন্টিমিটার বুধবার দুপুরে হয়েছে ৮.০৩। এ নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে মঙ্গলবারের মতো আজও ১০.৪৮ সেন্টিমিটারে রয়েছে।

কানাইঘাট দিয়ে বয়ে যাওয়া লোভা নদীর পানি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছিল ১৩.৬০ সেন্টিমিটার। বুধবার দুপুরে হয়েছে ১৩.৯০ সেন্টিমিটার। পানি বেড়েছে গোয়াইনঘাটের সারি নদীতে। ওই নদীতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় পানি সীমা ছিল ১০.৭৮ সেন্টিমিটার। বুধবার দুপুর ১২টায় হয়েছে ১১.৭৪ সেন্টিমিটার।