সাবরিনা-আরিফ দম্পতির ১১ বছর কারাদণ্ড

266
বহুল আলোচিত জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীকে ১১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন আদালত।
বহুল আলোচিত জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীকে ১১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন আদালত।

বহুল আলোচিত জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীকে ১১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন আদালত।

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার নামে জালিয়াতির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সাবরিনা-আরিফ দম্পতিকে এই সাজা দেয়া হয়েছে। এই মামলায় সাবরিনা, আরিফুলসহ মোট আটজনকে ১১ বছর কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই চাঞ্চল্যকর মামলাটির রায় ঘোষণা করেছেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালত।

এদিন সকালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক আসামিদের প্রিজনভ্যানে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কোর্টে আনার পর আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

বহুল আলোচিত এই জালিয়াতি মামলার চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জেকেজি হেলথকেয়ারের কর্মকর্তা আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির হিমু ও তার স্ত্রী তানজিলা পাটোয়ারী, জেকেজি হেলথ কেয়ারের নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম রোমিও, স্বত্বাধিকারী জেবুন্নেছা রিমা এবং বিপ্লব দাস। সাবরিনা, আরিফের মতো এই ছয়জনকেও ১১ বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

মামলার ৪০ সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

উল্লেখ্য, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা পরীক্ষার নামে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দেয় ডা. সাবরিনা ও তার স্বামীর প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ার। এই অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে জেকেজি হেলথ কেয়ার প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়। একই বছরের ২০ আগস্ট ডা. সাবরিনাসহ আটজন আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন আদালত।