সংবাদ প্রকাশের পর রাণীশংকৈলের সেই মাদ্রাসায় ইউএনও-শিক্ষা কর্মকর্তা

142
সংবাদ প্রকাশের পর রাণীশংকৈলের সেই মাদ্রাসায় ইউএনও-শিক্ষা কর্মকর্তা
সংবাদ প্রকাশের পর রাণীশংকৈলের সেই মাদ্রাসায় ইউএনও-শিক্ষা কর্মকর্তা

আনোয়ার হোসেন আকাশ, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভরনিয়া গ্রামে ভরনিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে সাত শিক্ষার্থীর মাদ্রাসায় ১৮ শিক্ষক-কর্মচারী শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ওই মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার, ২ জুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. তৈয়ব আলী। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলছেন, নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবেই পরিদর্শন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মাদ্রাসাকে কেন্দ্র অনিয়ম-দুর্নীতির খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে গত ২৭ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিদর্শনে আসেন এবং ৩০ জুন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পরিদর্শনে আসেন।

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ বলেন, নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবেই মাদ্রাসা পরিদর্শনে গিয়েছি। আমি কোনো অভিযোগের প্রেক্ষিতে যাইনি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে যাওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া আছে।

উপবৃত্তির বিষয়ে তিনি বলেন, মাদ্রাসা থেকে ৪২ জন উপবৃত্তি পায়। তার মধ্যে ১৪ জন অনুপস্থিত থাকে। তাদেরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে মাদ্রাসায় আসার জন্য। শিক্ষকরাও চেষ্টা করছেন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আসার জন্য।

এটা নতুন সমস্যা মনে করছেন কি না জানতে চাইলে উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের নলেজে নতুন এসেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আপনাদের নিউজ হোক বা অন্য যেভাবেই হোক জানার পর আমরা তো গিয়েছি। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রাণীশংকৈল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৈয়ব আলী বলেন, আমি মাদ্রাসায় গিয়েছিলাম। শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আড়াই থেকে তিন ঘন্টা ছিলাম। তাদের সঙ্গে কথা বলে এসেছি। তারপরও নজরদারিতে থাকবে।

পরিস্থিতি কেমন দেখলেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পরীক্ষা শেষ। প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষায় কতজন পরীক্ষা দিয়েছে দেখলাম। দেখলাম মোটামুটি ভালো। করোনাভাইরাসের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিয়ষগুলো আমার নজরদারিতে থাকবে।