শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বড় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আর্থিক সহযোগিতার আহবান

123

গোলাম রব্বানী-টিটু:(শেরপুর)প্রতিনিধি : শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার সদরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ১৯৮৯ সালে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির উদ্যোগে একটি টিনের ঘরে মাদ্রাসাটির যাত্রা শুরু হয় । আজ সকলের সহযোগিতায় জামিয়া ইসলামিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানাটি ব্যাপক পরিচয় লাভ করেছে ।

বিগত তিন বছর আগে ভূমিকম্পে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষয়ক্ষতি হলে কর্ক্ষৃপক্ষ ভেংঙ্গে ছয়তলা ভবনের কাজ শুরু করেন । এখন ৩য় তলা ভবন ডালাইয়ের কাজ শুরু হবে ঈদের আগেই । শেরপুর জেলার তেরাবাজার মাদ্রাসার পর ঝিনাইগাতী এই প্রতিষ্ঠানটি ২য় স্থানের তালিকায় রয়েছে ।

এখানে বর্তমানে নূরানী নাজরা হিফস থেকে শুরু করে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত ৪০০জন ছাত্র অধ্যায়ন রয়েছে । জায়গা সংকুলান না হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী অনত্রে চলে গেছে । এখানে অভিজ্ঞ ২২জন শিক্ষক মন্ডলী দ্বারায় পাঠদান হয়ে থাকে । প্রতি বছর ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করে এই প্রতিষ্ঠান থেকে বাহির হয়ে অনেক শিক্ষার্থী দেশ ও

দেশের বাইরে ইসলামি কাজে কর্মরত আছেন । প্রত্যেক মানুষ মরণশীল, তাই মৃত্যুর স্বাদ সবাইকে গ্রহণ করতেই হবে , ক্ষনিকের পৃথিবী থেকে আল্লাহর ইবাদত ব্যাতীত কোন সম্পদ, জ্ঞান, ক্ষমতা, ইত্যাদি কবরের সাথি হবে না । মাহে রমজানের শেষ মুহুর্তে আল্লাহর রাস্তায় দান করা মানেই আল্লাহকে খুশি, সন্তষ্টি করার একমাত্র পথ ।

মাদ্ররাসার মুহতামিম মুফতি আলহাজ্ব খালিছুর রহমান মাহে রমজানের দান সর্বোত্তম আখ্যা দিয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের দেশ,বিদেশ থাকা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ফেৎরা,জাকাত,মান্নত, কাফ্ফারা সহ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় কাজ করার জন্যে দান করার আহবান রাখেন