শরীর ও মন ভালো রাখে টিপ

273
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, লাল ও নীল রঙের টিপ পরার অভ্যাসে দীর্ঘ সময় ধরে শরীর ও মন ভালো থাকার প্রবণতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। একই কথা বলেছেন গবেষকরাও।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, লাল ও নীল রঙের টিপ পরার অভ্যাসে দীর্ঘ সময় ধরে শরীর ও মন ভালো থাকার প্রবণতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। একই কথা বলেছেন গবেষকরাও।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, লাল ও নীল রঙের টিপ পরার অভ্যাসে দীর্ঘ সময় ধরে শরীর ও মন ভালো থাকার প্রবণতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। একই কথা বলেছেন গবেষকরাও।

অনেক নারীই অনিন্দ্রায় ভোগেন। নিয়মিত টিপ পরলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিপ অনিদ্রার সমস্যা দূর করতে সক্ষম। গবেষকদের পাশাপাশি আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও একই কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাঙালি নারীর সাজ-সজ্জার অন্যতম উপকরণ টিপ। কপালে একটি টিপ চেহারার সৌন্দর্যে জাদুকরী প্রভাব ফেলতে পারে। চেহারার সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি শরীর ও মনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এই টিপ।

দুই ভ্রুর মাঝে কপালের যে অংশে টিপ পরা হয় সেই অংশকে মেডিটেশন বা যোগাসন অনুযায়ী অজ্ঞান চক্র বলা হয়। কপালের এই অংশ থার্ড আই বা তৃতীয় নয়ন হিসেবেও পরিচিত। কাজেই কপালের এই অংশে টিপ পরলে বিশেষ উপকারিতা পাওয়া যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত মাথা ব্যথায় কষ্ট পান তাদের উচিৎ নিয়মিত টিপ পরার অভ্যাস করা। কারণ কপালের মাঝখানে অবস্থিত একটি বিশেষ চক্র হলো অজ্ঞান চক্র। এখানে টিপ পরলে হালকা এক ধরনের চাপ অনুভূত হয় যা এই চক্রকে দমন করতে পারে। এর ফলে দূর হয়ে যেতে পারে মাথা ব্যথা।

অনেক নারীই পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কপালে টিপ পরতে ভালোবাসেন। বাঙালি নারীর সাজকে পরিপূর্ণতা দিতে টিপের কোনো তুলনা হয় না। এই টিপই নিয়মিত পরার অভ্যাস করলে নারীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অনেক সমস্যাও দূর হয়ে যায়।

মানসিক প্রশান্তিই শুধু নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্যও নিয়মিত টিপ পরার অভ্যাস করা উচিৎ নারীদের। বর্তমান যান্ত্রিক যুগে নানা কারণে মানসিক চাপে ভোগেন নারীরা। নিয়মিত টিপ পরার অভ্যাস মানসিক চাপ থেকে দূরে রাখতে পারে তাদের। শুধু তাই নয়, সারাদিন ধরে সতেজ অনুভূতি পেতেও কপালের একটি টিপই যথেষ্ট।

রীতিমতো গবেষণা চালিয়ে কপালে টিপ পরার আরও কিছু উপকারিতা খুঁজে বের করেছেন গবেষকরা। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- নিয়মিত টিপ পরলে মুখের পেশি মজবুত হয়। টিপ পরলে স্নায়ু উত্তেজিত হওয়ার কারণে কানের পেশিও মজবুত হয়। এতে করে বেড়ে যায় শ্রবণ ক্ষমতা। অনেক নারীই বলিরেখা নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকেন। নিয়মিত টিপ পরলে বলিরেখাও দেরিতে পড়বে।