রোজা রেখে কানে-চোখে ড্রপ দেওয়া যাবে কি?

182
চোখ থেকে নাক হয়ে গলায় কোনো কিছু পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কানে ড্রপ দিলে সাধারণত তা গলা পর্যন্ত পৌঁছায় না।
চোখ থেকে নাক হয়ে গলায় কোনো কিছু পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কানে ড্রপ দিলে সাধারণত তা গলা পর্যন্ত পৌঁছায় না।

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, চোখ থেকে সরাসরি পাকস্থলীতে পৌঁছার কোনো পথ না থাকলেও চোখ থেকে নাক হয়ে গলায় কোনো কিছু পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

রোজা রেখে চোখে ড্রপ দেয়া যেতে পারে। কিন্তু চোখে ড্রপ দেওয়ার পর যদি কোনোভাবে তা নাক হয়ে গলায় প্রবেশ করে তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে।
আপনি যদি জিহ্বায় চোখের ড্রপের স্বাদ অনুভব করেন ও মুখের স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার রোজা ভঙ্গ হয়ে গেছে। এছাড়া আপনি যদি চোখে সুরমা ব্যবহার করেন ও চোখে ড্রপ দেওয়ার পর যদি আপনার মুখ বা জিহ্বায় সুরমার রং এসে যায় তাহলে বুঝবেন আপনার রোজা ভঙ্গ হয়েছে। তবে এমনটা খুব কমই ঘটে থাকে।

নানা ধরনের রোগের কারণে কানের ড্রপ ব্যবহার করা হয়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, কানে ড্রপ দিলে সাধারণত তা গলা পর্যন্ত পৌঁছায় না।

আগে ফকিহরা ভাবতেন, কানে কিছু ব্যবহার করলে রোজা ভেঙে যাবে। তাদের ধারণা ছিল, কানের ভেতর তেল বা অন্য কিছু ব্যবহার করার পর যদি তা পেটে বা মাথায় পৌঁছে যায় তার মাধ্যমে রোজা ভেঙে যাবে। তাদের এই ধারণার ভিত্তি ছিল যে, কান ও গলার মাঝে সরাসরি কোনো সংযোগ আছে। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে কান ও গলার মাঝে এমন সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। তাই রোজা রেখে কানের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে।