রাণীশংকৈল পৌরসভার উন্নয়নে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ

83

আনোয়ার হোসেন আকাশ, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি : কেনা হলো পৌরসভার নামে জমি, নির্মাণের জন্য করা হচ্ছে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন। পৌর নির্বাচনের দেড় বছরেই তফসিল অনুযায়ী নাগরিক সেবা পেয়ে খুশিতে আত্বহারা ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরবাসি। পৌর এলাকার ময়লা আবর্জনা দিয়ে তৈরি করা হবে জৈব সার। আবর্জনা রিসারপ্লিং করে ডাম্পিং স্টেশনে ক্রমান্বয়ে তৈরি হবে তেল ও গ্যাস।

পৌরসভার নাগরিক সুবিধা বাড়াতে পৌর কাউন্সিলর  কর্মকর্তা  কর্মচারীদের নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র আলহাজ্ব  মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক । যেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩ বছরের বেতন আগের মেয়রের সময়কালে বকেয়া ছিল, তা ১বছরের বকেয়া বেতন দিয়ে প্রতিমাসের বেতন প্রতিমাসে পরিশোধ করা হচ্ছে।

বর্তমানে প্রতিদিনই করা হচ্ছে শহর পরিস্কারকরনের কার্যক্রম , রয়েছে উন্নততর  লাইটিংয়ের ব্যবস্থা, এছাড়াও চলছে ৯টি উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের কাজ।

আগেরমতো সরকারের ভিজিএফ, টিসিবি, বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতাও প্রতিবন্ধিভাতা পেতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে না পৌরবাসিকে।

এসব প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হয় পৌর আ.লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকারের সাথে তিনি বলেন, নাগরিক সুবিধা বাড়াতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যাবস্থা বাড়াতে হবে। যে সমস্ত এলাকায় লাইটিংয়ের ব্যবস্থা নেই সেখানে সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে। সবার আগে পৌরবাসির চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি বাড়িতে পানি সাপ্লাই ব্যবস্থা করলে যেমনি বাড়বে নাগরিক সুবিধা তেমনি ভাবে রাজস্ব বাড়বে পৌরসভার।

এব্যপারে মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, পৌরবাসির নাগরিক সুবিধা বাড়াতে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি সামজিক, সাংস্কৃতিক কাজে ব্যস্ত সময় পার করছি।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের দেড় বছরেও সরকারি ভাবে কোন মেগা প্রকল্প পাওয়া যায়নি এপর্যন্ত রাজস্ব আদায় করেই পৌরসভা পরিচালিত করে আসছি। পৌরসভার উন্নয়নে আমার পরিকল্পনা রয়েছে প্রথমত পৌরভবন, ফুটপাতের রাস্তা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ঝড়েপড়া শিশুদের স্কুলমুখী করা সহ নানা আরো নানা উন্নয়নমূলক কাজ ।