রংপুর আলু তোলার ধুম পড়েছে 

রংপুর আলু তোলার ধুম পড়েছে
রংপুর আলু তোলার ধুম পড়েছে

রংপুর প্রতিনিধি : গঙ্গাচড়ায় আলু তোলার ধুম পড়েছে। কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ বছর আলুর ফলন ভালো। সেই সঙ্গে দামও একটু ভালো। এ কারণে কৃষকরা বেশ খুশি।কৃষকরা জানান, অনেক বছর পর এবার কৃষকরা আলুর দাম পাচ্ছেন। উত্পাদন খরচ তুলে একটু লাভের মুখ দেখছেন। কৃষকরা বাড়তি ফসল হিসেবে আলুর চাষ করেন। বোরো ও আমনের মাঝামাঝি ৯০ দিনের একটি ফসল।

আমন ধান কাটার পর তারা আলু চাষ করেন। আলু তোলার পর আবার বোরো কিংবা আউশ ধানের চাষ করেন। বাড়তি ফসল হিসেবে আলু আবাদ জনপ্রিয় হলেও কয়েক বছর থেকে লোকসান হচ্ছে। এ কারণে এবারে অনেকেই আলু চাষ করেনি। কৃষকরা আরো জানান, এ বছর আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলেও সময়মতো ছত্রাকনাশক স্প্রে করার কারণে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।সরজমিনে উপজেলার হাবু, কিসামতহাবু, গজঘন্টা, চেংমারী ও কোলকোন্দ এলাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষাণ-কৃষাণিরা আলু তুলতে ব্যস্ত। অনেকে খেতেই আলু বিক্রি করে দিচ্ছেন।

অনেকে আবার বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন।কিসামত হাবু গ্রামের আলুচাষি জামিনি চন্দ্র জানান, গত বার আলু ঘরে তুলেই লোকসান হয়েছে। এবার জমিতেই বিক্রি করে দেব। জাতবিশেষে কার্ডিনাল ও এস্টারিক্স ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা বস্তা (৯০ কেজি), লরা ৮৫০ টাকা, ডায়মন্ড ৯৫০ টাকা এবং গ্রানুলা ৭০০ টাকা বস্তা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কৃষকরা জানান, যে আলু আগে নিত না। এ বছর সেই গ্রানুলা জাতের আলুর চাহিদা বেশি।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ৬ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, আলুর ফলন মোটামুটি ভালো। সেই সঙ্গে দামও পাচ্ছেন কৃষকরা। তিনি আরো বলেন, এবারে অনেক আলু বিদেশে যাচ্ছে।