যে দেশে বাসর রাতে বউ-শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে হয় জামাইকে

256
জগতে মানব সম্প্রদায় কত বিচিত্র রীতি-নীতিরই না চর্চা করে! কিন্তু তাই বলে বাসর রাতে বউ আর শাশুড়িকে নিয়ে এক ঘরে থাকা! তাজ্জব রীতিই বটে! তাজ্জব হলেও ঘটনা সত্য।
জগতে মানব সম্প্রদায় কত বিচিত্র রীতি-নীতিরই না চর্চা করে! কিন্তু তাই বলে বাসর রাতে বউ আর শাশুড়িকে নিয়ে এক ঘরে থাকা! তাজ্জব রীতিই বটে! তাজ্জব হলেও ঘটনা সত্য।

শিরোনামটা পড়ে বিস্ময়ে চোখ কপালে উঠেছে! জগতে মানব সম্প্রদায় কত বিচিত্র রীতি-নীতিরই না চর্চা করে! কিন্তু তাই বলে বাসর রাতে বউ আর শাশুড়িকে নিয়ে এক ঘরে থাকা! তাজ্জব রীতিই বটে! তাজ্জব হলেও ঘটনা সত্য। এমন অদ্ভুত রীতি মেনে চলা হয় আফ্রিকার কয়েকটি অঞ্চলে।

আফ্রিকার ওই রীতি অনুযায়ী, বিয়ের প্রথম রাতে মেয়ে এবং মেয়ের জামাইয়ের সঙ্গে এক ঘরেই রাত কাটান মেয়ের মা। এসময় সুখী দাম্পত্য জীবন পাওয়ার জন্য কী কী করণীয় তার জন্য নানা ধরনের পরামর্শ দেন মেয়ের মা। শুধু তাই নয়, বাসর ঘরে মেয়ে ও মেয়ের জামাইয়ের প্রথম রাতটি যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে পরদিন মেয়ের মা ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা দেন যে, সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে চলেছে তার মেয়ে ও মেয়ের জামাই।

মেয়ের মায়ের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বটি পালন করে থাকেন মেয়ের পরিবারের সবচেয়ে বেশি বয়সী নারীটি।

কেবল আফ্রিকাই নয়, পৃথিবীর অনেক দেশ ও অঞ্চলেই বিয়েকে কেন্দ্র করে নানা রকম অদ্ভুত রীতি-নীতি মেনে চলা হয়। যেমন দক্ষিণ এশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে বিয়ের পর নব দম্পতিকে টানা তিন দিন মলত্যাগে বাধা দেয়া হয়। যারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তাদের বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয় বলে মানেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অদ্ভুত এই রীতি মেনে চলেন বোর্নিওর টিডং উপজাতির মানুষরা।

এছাড়া চীনেও রয়েছে বিয়ে সংক্রান্ত অদ্ভুত এক রীতি। দেশটির টুজিয়ান সম্প্রদায় মেনে চলে এই রীতি। রীতি অনুযায়ী, বিয়ের ৩০ দিন আগে থেকে কাঁদতে হয় হবু বউকে। প্রতিদিন রীতিমতো নিয়ম করে কমপক্ষে এক ঘণ্টা কাঁদতে হয় তাকে।