মোংলায় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে মারধরের অভিযোগ

75
মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে স্থানীয়দের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী শফিকুল হাওলাদার। এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা দুই পক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে স্থানীয়দের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী শফিকুল হাওলাদার। এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা দুই পক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোংলা প্রতিনিধি : মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে স্থানীয়দের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী শফিকুল হাওলাদার।

অভিযোগে জানা যায়, মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়নের মালগাজী ৪নং ওয়ার্ডের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানার কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিলো চাঁদপাই ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর জাহাঙ্গীর শিকদারের সাথে। এরই ভিত্তিতে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মাদ্রাসা ও এতিমখানার কমিটি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান শালিস ডাকেন। ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা চলা অবস্থায় ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর শিকদার উপস্থিত জনগণের সামনে আবুল বাশার শিকদার (৫৭) কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকলে তিনি প্রতিবাদ করেন। তখন সাবেক ইউপি সদস্য তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন।

লোকজন বাধা দিলে সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর শিকদারসহ তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের উপর লোহার রড দিয়ে অতর্কিত হামলা করে। তাদের ডাক চিৎকারে উপস্থিত লোকজনসহ আশ পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও তাদের জীবন নাশের হুমকি দিয়ে জাহাঙ্গীর শিকদারসহ তার লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের স্থানীয়দের সহায়তায় মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা করা হয়।

এ বিষয়ে চাঁদপাই ইউপির ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, শালিস চলাকালীন ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, মহিলা ইউপি সদস্য থাকা অবস্থায় সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর শিকদারসহ আরো কয়েকজন মারামারিতে লিপ্ত হন। এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে মোংলা থানার ভারাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা দুই পক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।