মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে মায়ের মতোই আত্মহত্যা করলো মেয়ে

505
ভোলার লালমোহনে রুমা আক্তার (১৪) নামের এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়েছে ওই কিশোরী। প্রায় দশ মাস আগে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল রুমার মা নাজমা বেগম। আর ১০ মাস পরে সেই মৃত মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়েই ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেয় রুমা।
ভোলার লালমোহনে রুমা আক্তার (১৪) নামের এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়েছে ওই কিশোরী। প্রায় দশ মাস আগে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল রুমার মা নাজমা বেগম। আর ১০ মাস পরে সেই মৃত মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়েই ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেয় রুমা।

কামরুজ্জামান শাহীন, ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে রুমা আক্তার (১৪) নামের এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়েছে ওই কিশোরী।

শনিবার দুপুরে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মহেষখালী গ্রামে হৃদয়বিদারক এই ঘটনা ঘটে। কিশোরীর নিজ বসতঘর থেকেই তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রুমা ওই গ্রামের চাপরাশি বাড়ির মো. সিদ্দিকের মেয়ে ও স্থানীয় মহেষখালী ফজর আলী দাখিল মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দশ মাস আগে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল রুমার মা নাজমা বেগম। আর ১০ মাস পরে সেই মৃত মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়েই ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেয় রুমা।

রুমার বাবা সিদ্দিক জানান, রুমা ও তার বড় বোন ঝুমাসহ পরিবারের সকলে একসাথে সকালের খাবার খান। পরে রুমার সৎ মাসহ গজারিয়া বাজারে গিয়ে কাজ সেরে বাড়ি ফিরে দেখেন ঘরের দরজা জানালা সব বন্ধ এবং বড় মেয়ে ঝুমা বারান্দায় ঘুমাচ্ছে। এসময় ঝুমাকে ডাকলে বারান্দার দরজা খুলে দেয় সে। তবে মাঝঘরের দরজা বন্ধ থাকায় ভেবেছিলাম দরজা বন্ধ করে ঘুমাচ্ছে রুমা। তাই তাকে না ডেকে কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ি। পরে স্থানীয়রা জানায় রুমা গলায় ফাঁস দিয়েছে। রুমার সামান্য মানসিক সমস্যাও ছিল। এজন্যই হয়তো সে গলায় ফাঁস দিতে পারে।

রুমার সৎ মা রাবেয়া বেগম বলেন, ভেবেছিলাম রুমা ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমাচ্ছে। তবে অনেকক্ষণ হয়ে যাওয়ায় ঘরের বাইরে থেকে ভিতরে উঁকি দিয়ে রুমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে ডাক-চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসে। পরে পুলিশকে সংবাদ দিলে তারা এসে লাশ নিচে নামায়।

লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. এনায়েত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুরহস্য জানা যাবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।