মহাকাশে টিকটক বানিয়ে রেকর্ড (ভিডিও)

109
টিকটক অ্যাপের জন্ম চীনে। ইতোমধ্যে চীন ছাপিয়ে সারাবিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছোট ছোট ভিডিও বানিয়ে শেয়ার করার তুমুল জনপ্রিয় এই অ্যাপ। বিশ্ব কাঁপছে টিকটক জ্বরে। পৃথিবীর সীমানা পেরিয়ে মহাকাশেও পৌঁছে গেছে টিকটক। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রথমবারের মতো টিকটক ভিডিও বানিয়ে রীতিমতো রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন ইতালির এক নারী নভোচারী।
টিকটক অ্যাপের জন্ম চীনে। ইতোমধ্যে চীন ছাপিয়ে সারাবিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছোট ছোট ভিডিও বানিয়ে শেয়ার করার তুমুল জনপ্রিয় এই অ্যাপ। বিশ্ব কাঁপছে টিকটক জ্বরে। পৃথিবীর সীমানা পেরিয়ে মহাকাশেও পৌঁছে গেছে টিকটক। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রথমবারের মতো টিকটক ভিডিও বানিয়ে রীতিমতো রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন ইতালির এক নারী নভোচারী।

টিকটক অ্যাপের জন্ম চীনে। ইতোমধ্যে চীন ছাপিয়ে সারাবিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছোট ছোট ভিডিও বানিয়ে শেয়ার করার তুমুল জনপ্রিয় এই অ্যাপ। বিশ্ব কাঁপছে টিকটক জ্বরে। পৃথিবীর সীমানা পেরিয়ে মহাকাশেও পৌঁছে গেছে টিকটক। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রথমবারের মতো টিকটক ভিডিও বানিয়ে রীতিমতো রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন ইতালির এক নারী নভোচারী।

এবারই প্রথম নয়, এর আগেও মহাকাশে গিয়ে রেকর্ড গড়ার ইতিহাস আছে সামান্থার। ইতালির প্রথম নারী নভোচারী তিনি। বছর আটেক আগে ২০১৪ সালে টানা ১৯৯ দিন মহাকাশে থেকে রেকর্ড গড়েন ইতালির প্রথম এই নারী নভোচারী।

অবশ্য খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি সামান্থার সেই রেকর্ড। অন্য কেউ ভেঙে দিয়েছেন তার রেকর্ড। সেই অঘটন ঘটেছে রেকর্ড গড়ার তিন বছরের মধ্যেই।

মহাকাশে গড়া রেকর্ড হাতছাড়া হওয়ার বছর পাঁচেক পর চলতি বছর মহাকাশে টিকটক ভিডিপ তৈরি ও প্রকাশ করে আবার রেকর্ড জয়ের আনন্দে ভেসেছেন এই নারী নভোচারী।

পৃথিবীর নানাপ্রান্তে ছড়িয়ে গেছে টিকটক অ্যাপ। ছোট-বড় সবার কাছেই বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে টিকটক। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মরে কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে এটি। নতুন প্রজন্মের পাশাপাশি আগের প্রজন্মের অনেক সদস্যও টিকটকে খুঁজে ফেরেন বিনোদনের নিত্যনতুন সব রসদ।