ভোলায় পুলিশের হস্তক্ষেপে মহিষের খোঁয়াড় অপসারণ

129

ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার “তজুমদ্দিণে খোশনদী দাখিল মাদ্রাসার ভবনের সামনে মহিষের খোঁয়াড় দুর্গন্ধে অতিষ্ট শিক্ষার্থীরা’ এমন একটি শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর, ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের নির্দেশে ওই মহিষের খোঁয়াড় অপসারণ করছেন তজুমদ্দিন থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে তজুমদ্দিন থানার ওসি এস এম জিয়াউল হক উপস্থিত থেকে মহিষের খোঁয়াড় অপসারণ করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মহিষের মালিক মো. নুরুল হক খোঁয়াড় সরানোর ব্যাপারে কাল ক্ষেপন করার কারণে পুলিশ স্থানীয় শ্রমিকদের সহায়তায় তা অপসারণ করে দেন।

তজুমদ্দিন থানার ওসি এস এম জিয়াউল হক এ বিষয়ে বলেন, মাদ্রাসার ভবনের সামনে মহিষের খোঁয়াড় সত্যিই লেখাপড়ার সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করে। জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে মাদ্রাসা ভবনের সামনে থেকে মহিষের খোঁয়াড়টি উচ্ছেদ করি। এ বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় নিউজ হওয়ায় বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

এ ব্যাপারে গতকাল বুধবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কার্যালয়ে থেকে একাডেমিক সুপারভাইভার মো. রাসেদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবং বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানান।

উল্লেখ্য, তজুমদ্দিন খোশনদী দাখিল মাদ্রাসা ভবনের সামনে ৮ শতাংশ জমির মালিক মো. নুরুল হক। সেই জমিতে তিনি গড়ে তুলছেন ৮-১০ মহিষের খোঁয়াড়। এসব মহিষের মল-মুত্র ও আবর্জনা পচা দুর্গন্ধ ছড়ায় চারিদিকে। স্থানীয় মানুষও এসব দূভোর্গের শিকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এমন অবস্থার কারণে এ বছর মাদ্রাসায় নতুন শিক্ষার্থী তেমন একটা ভর্তি হয় নাই। এবং অনেক শিক্ষার্থী অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে গেছে।

এ ঘটনায় গত কয়েকদিন বিভিন্ন অনলাইন, আঞ্চলিক ও জাতীয় দৈনিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।