ভোলায় দেশী হাঁস কালো ডিম পাড়ায় চাঞ্চল্য (ভিডিও)

256

কামরুজ্জামান শাহীন, ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশনে একটি দেশি হাঁস কালো ডিম পাড়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

অদ্ভুত এই ঘটনাটি ঘটে চরফ্যাশন উপজেলার পশ্চিম জিন্নাগড় গ্রামে। গত মঙ্গলবার পশ্চিম জিন্নাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. মতিনের স্ত্রী তাসলিমা বেগমের পালিত একটি হাঁস এই অস্বাভাবিক কান্ড ঘটায়। কালো রঙয়ের ডিম পাড়ে হাঁসটি।

এ প্রসঙ্গে তাসলিমা বেগম জানান, তিনি ১১টি দেশি হাঁস পালেন। পালিত হাঁসগুলোর মধ্য থেকে ৮ মাস বয়সী একটি হাঁস মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো ডিম পাড়ে। ডিমের আকার বেশ বড়। ডিমের রং পুরোপুরি কালো। ডিমের কালো রং দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে যান তিনি। পরে ডিমটি বাড়ির অন্যদের দেখান। এরপর এক কান দুই কান করে মুহূর্তের মধ্যে কালো ডিমের খবর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। দেশি হাঁসের কালো ডিম দেখতে বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।

এ প্রসঙ্গে ভোলা জেলার প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল জানান, তার জানা মতে হাঁসের কালো ডিম পাড়ার ঘটনা এটাই প্রথম। হাঁসের কালো ডিম পাড়ার কথা তিনি কখনো শোনেননি, দেখেনওনি। জিংডিং জাতের এক ধরনের হাঁস হালকা নীল রঙের ডিম পাড়লেও কালো রংয়ের ডিম হাঁস পাড়ে না। তবে ভারতীয় ব্রিডের কাদারনাথ বা কালো মাসি জাতের মুরগী কালো রংয়ের ডিম পারে। মজার বিষয় হলো, এই জাতের মুরগী মাংসও কালো রঙের।

প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল আরও জানান, যে হাঁসটি কালো রঙের ডিম পেড়েছে সেটির জরায়ুতে সমস্যা থাকতে পারে। জরায়ুর সমস্যা থেকে এমনটা ঘটে থাকতে পারে। সাধারণত হাঁসের জরায়ুতে ডিমের খোসা ১৯ ঘন্টা থাকে।

হাঁসের কালো ডিম পাড়ার ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক উল্লেখ করে প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার বলেন, সামনের দিনগুলোতেও যদি এই হাঁস কালো রংয়ের ডিম পাড়ে তাহলে হাঁস ও ডিম পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।