ভোলায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত ১

85
ভোলায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত ১
ভোলায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত ১

ভোলা প্রতিনিধি: দেশে বিদ্যূৎতের লোডশেডিং ও জ্বালানিখাতে অব্যবস্থাপনা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভোলায় বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিলে
পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আব্দুর রহিম নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।

রোববার (৩১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের মাহজনপট্রি জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রহিম উপজেলার দক্ষিণ দিঘলধী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কোরালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি ওই ইউনিয়নের বিএনপি নেতা বলে জানা গেছে। এদিকে এ ঘটনায় ৭ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা শহরের মহাজনপট্টি দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশ করে। পরে একটিবিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তায় বের হলে পুলিশ বাধা দেয়।

এ সময় বিএনপি নেতাকর্মী ও পুলিশ সাথে ধাক্কা-ধাক্কি ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায় বিএনপি’র নেকাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশও লাঠিচার্জ ও গুলি করে। এতে বিক্ষোভ মিছিলে গুলিবিদ্ধ হন বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম, আহত হন পুলিশসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। আহতদের ভোলা সদর হাসপাতালে নিলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক আব্দুর রহিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মো. ফরহাদ সরদার বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি করে। এ ঘটনায় ৭ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভোলা জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হারুর আর রশীদ ট্রুম্যান জানান, কেন্দ্রী ঘোষিত বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের গুলিতে বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।