ঝালমুড়ি বিক্রেতার ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত শিশু শিমলা বাঁচতে চায়

120
ঝালমুড়ি বিক্রেতার ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত শিশু শিমলা বাঁচতে চায়
ঝালমুড়ি বিক্রেতার ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত শিশু শিমলা বাঁচতে চায়

আনোয়ার হোসেন আকাশ, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলা রুহিয়া থানাধীন ১৪নং রাজাঁগাও ইউনিয়নের চাপাতি গ্রামের (মোল্লাপাড়ার) শফিকুল ইসলামের মেয়ে শিমলার বয়স মাত্র ৮ বছর। অভাবের সংসারে বাবা শফিকুল সারাদিন স্কুল, কলেজ ও বিকেলে স্থানীয় বাজারে ঝালমুড়ি বিক্রি করে যা পান তা দিয়ে মা-বোন স্ত্রী এবং তিন মেয়ে ও বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে তাদের সংসার বেশ সুখেই চলছিল।

যদিও অভাবের সংসার তারপরেও সুখ-শান্তির কোনো অভাব ছিল না তাঁদের। হঠাৎ একদিন ঝাল মুড়ি বিক্রেতার আট বছরের ফুটফুটে মেয়ে শিমলা আক্তারের প্রচণ্ড মাথা ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। এতে ফার্মেসি থেকে আনা কোনো প্রকার ওষুধে তা কমেনি।

উপায় না পেয়ে তিনি ঠাকুরগাঁও মাম হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের এম.বি.বি.এস মেডিসিন ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহিনকে মেয়েকে পরামর্শ নেন। তিনি রোগীর অবস্থা দেখে রংপুর ব্রেন এন্ড মাইন্ড কনসালটেশন ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। রংপরে গিয়ে হাসপাতালের রিপোর্টে ধরা পড়ে ছোট শিশু শিমলার মাথায় টিউমার হয়েছে।

ডাক্তার বলেছেন খুব দ্রুত তাঁর অপারেশন করাতে হবে এতে খরচ হতে পারে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মত। একথা শুনার পর যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে মাথায়।

ঝালমুড়ি বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দিন আনি দিন খাই। আমার আদরের ফুটফুটে শিশুটির চিকিৎসার জন্য ৮/১০ লাখ টাকা দরকার, যা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’ তিনি তাঁর কন্যা সন্তানের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন।

আট বছরের শিশু শিমলা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন , ‘আমি বাঁচতে চাই। আমি স্কুলে পড়াশোনা করতে চাই অনেক দিন হলো স্কুলে যায়নি, বন্ধুদের সাথে খেলতে পারি না।

এদিকে শিমলার করুণাময়ী ‘মা’ কাঁদতে কাঁদতে তিনি সমাজের বিত্তবান দানশীল মানুষদের কাছে আর্থিক সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করেছেন। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ করুন শফিকুল ইসলাম (রোগীর বাবা) ০১৭৭৪৪৩৯১১৫ (বিকাশ)।