বোয়ালমারীতে খাদ্য পরিদর্শকের বাড়িতে ৩০ বস্তা চাল মজুদ!

119
বোয়ালমারীতে খাদ্য পরিদর্শকের বাড়িতে ৩০ বস্তা চাল মজুদ!
বোয়ালমারীতে খাদ্য পরিদর্শকের বাড়িতে ৩০ বস্তা চাল মজুদ!

আব্দুল্লাহ আল মামুন রনী, বোয়ালমারী (ফরিদপুর) থেকেঃ মাগুরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের কারিগরী খাদ্য পরিদর্শক প্রবীর কীর্তনীয়ার ফরিদপুর জেলার

বোয়ালমারীস্থ বাড়িতে অবৈধভাবে চাল মজুদ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্যক্তিগতভাবে ওই চাল ক্রয় করার কথা বললেও অভিযোগ রয়েছে সরকারি খাদ্য গুদামের চাল কর্মস্থল থেকে এনে বস্তা পরিবর্তন করে বাড়িতে অবৈধভাবে মজুদ করে রেখেছেন ওই সরকারি কর্মকর্তা।

জানা যায়, ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের কীর্ত্তনীয়াপাড়ার ক্ষিরোধ কীর্ত্তনীয়ার ছেলে প্রবীর কীর্তনীয়া মাগুরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের কারিগরী খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। সম্প্রতি তিনি ত্রিশ বস্তা চাল ট্রাকযোগে বাড়িতে আনেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে  বুধবার (২৫ মে) বোয়ালমারী উপজেলা

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. রেজাউল আলমকে নিয়ে প্রবীর কীর্তনীয়ার চতুলস্থ গ্রামের বাড়ি তল্লাশি করেন। সেখানে চালের অস্তিত্ব

পেলেও তা সরকারি চাল নয় বলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান। তবেএকটি সূত্রে জানা গেছে সরকারি কর্মকর্তা প্রবীর কীর্তনীয়া বস্তা পরিবর্তন করে সরকারি চাল বাড়িতে মজুদ করছেন। 

এ ব্যাপারে মাগুরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের কারিগরী খাদ্য পরিদর্শক প্রবীর কীর্তনীয়া বলেন, আমি বাড়িতে থাকিনা, মাঠের জমিতে যে ধান পেয়ে থাকি সেটা সিদ্ধ শুকনো করার সমস্য হয়। যে কারনে বাজার থেকে চাল গুলো কিনে খাওয়ার জন্য রাখা হয়েছে। 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক বলেন, ওই কর্মকর্তার বাড়িতে চাল পাওয়া গেছে, তবে তা সরকারি কিনা বুঝা মুশকিল।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, এসিল্যান্ড উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে নিয়ে স্পটে গিয়েছিলো। সেখানে চেক করে সরকারি কোন চাল পাওয়া যায়নি। চেক করে কিছু পাওয়া গেছে, তা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ক্রয়কৃত বলে জানা যায়।