বিদ্যুৎ এবং জ্বালানী সাশ্রয়ে সিনিয়র সচিবের উদ্যোগ

77
বিদ্যুৎ এবং জ্বালানী সাশ্রয়ে সিনিয়র সচিবের উদ্যোগ

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুৎ এবং জ্বালানী সাশ্রয়ের লক্ষ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের  সিনিয়র সচিব, কবির বিন আনোয়ারের এর নির্দেশনা অনুযায়ী পানি ভবনের শীততাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ºC এ রাখাতে বলেন।

আজ রাজধানীর পানি ভবনের সম্মেলনকক্ষে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানী সাশ্রয়ের লক্ষে অনুষ্ঠীত সভায় তিনি একথা বলেন।

এছারা নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দেন:-

১। সেন্ট্রাল এসি এর থার্মোস্ট্যাটযুক্ত অংশের তাপমাত্রা ২৬ºC নির্ধারণ করে থার্মোস্ট্যাট লক করা হয়েছে বিধায় তাপমাত্রা এর নীচে নামানো সম্ভব নয়। দুই ঘন্টা অন্তর এক ঘন্টা সেন্ট্রাল এসি চালু থাকবে।
২। সেন্ট্রাল এসি এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণযোগ্য অংশের তাপমাত্রা ২৬ºC এর নিচে নামানো যাবে না।
৩। পানি ভবনের সবগুলো করিডোরের লাইট বন্ধ থাকবে।
৪। কক্ষসমূহের ডেস্ক এর উপরে অবস্থিত লাইট ব্যতিত অন্য সকল লাইট বন্ধ থাকবে।
৫। কক্ষ ত্যাগের সময় লাইট এবং এসি বন্ধ থাকবে।
৬। পানি ভবনের অভ্যন্তরস্থ সকল গ্লাসডোর বন্ধ থাকবে।
৭। আলো প্রবেশের সুবিধার্থে গ্লাস ডোরে লাগানো ফ্রোস্টেড পেপার খুলে স্বচ্ছ করতে হবে।
৮। পানি ভবন ক্যাম্পাসের গার্ডেন লাইটসমূহ বন্ধ থাকবে।
৯। পানি ভবনে ৩ টি লিফট চালু থাকবে। বাকি সব লিফট বন্ধ থাকবে।
১০। আলো প্রবেশের সুবিধার্থে কক্ষসমূহের জানালার screen সরিয়ে রাখতে হবে।
১১। ইলেক্ট্রিক কেটলি, ওভেন ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।
১২। দিনের বেলায় সূর্যের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
১৩। সকাল ৯ টায় অফিসের কার্যক্রম শুরু করে বিকাল ৫ টার মধ্যেই অফিস ত্যাগ করতে হবে।
১৪। ব্যক্তিগত কাজে অফিসের গাড়ী ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
১৫। জ্বালানী সাশ্রয়ের লক্ষ্যে একই গাড়ীতে একাধিক কর্মকর্তাগণের অফিস যাতায়াত উৎসাহিত করা হয়েছে।
১৬। সাইট পরিদর্শনে একাকী গাড়ী ব্যবহার কমাতে হবে।
১৭। প্রশিক্ষণ কোর্স সংখ্যা কমাতে হবে।
১৮। মিটিংসমূহ যথাসম্ভব অনলাইনে করতে হবে
১৯। ৭২ গ্রীণ রোডস্থ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল ভবনে উপর্যুক্ত সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর থাকবে।

সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বজলুর রশিদ, মন্ত্রনালয় এর অতিরিক্ত সচিব সালমা জাফরিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের উবর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান ভার্চুয়ালী যুক্ত ছিলেন।