বিজেএমসির সব বন্ধ মিল চালু করা হবে : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

63

চলতি বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসির) সকল বন্ধ মিল চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক।

চট্টগ্রামের আমিন জুটমিল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এমনটাই জানান বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। এসময় বিজেএমসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আমিন জুটমিল পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি’র) ভাড়াভিত্তিক মিলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন এবং উৎপাদিত পাটপণ্য রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব মিলে নতুন করে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী আরও বলেন, এরইমধ্যে তিনটি জুট মিল (বাংলাদেশ জুট মিলস্ লিমিটেড নরসিংদী, কেএফডি জুট মিলস লিমিটেড চট্টগ্রাম, জাতীয় জুটমিল সিরাজগঞ্জ) ভাড়াভিত্তিক ইজারা দেয়া সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও ৩টি জুট মিলের লিজ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভাড়াভিত্তিক লিজ প্রদানকৃত মিলগুলোতে নতুন করে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। এক্ষেত্রে অবসানকৃত শ্রমিকগণ অগ্রাধিকার পাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের পাটকলগুলোতে বিরাজমান পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান এবং পাটখাত পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে ১ জুলাই ২০২০ থেকে বিজেএমসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি জুট মিলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব জুট মিলের সব স্থায়ী শ্রমিকের গ্রাচ্যুইটি, পিএফ, ছুটি নগদায়নসহ সমুদয় পাওনা গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধার মাধ্যমে অন্তত ৩৫৬৩ কোটি টাকাসহ যাচাইকৃত বদলি শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি, মামলা নিষ্পত্তি এবং প্রত্যাহারজনিত স্থায়ী শ্রমিকদের পাওনা, মিল চলাকালীন সময়ের ৬৪ সপ্তাহের বকেয়া মজুরি, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গ্রাচ্যুইটিসহ সব দায় ও কাঁচাপাট ব্যবসায়ীদের সব বকেয়া পাওনা ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে।