বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময় : বাণিজ্যমন্ত্রী

88
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়। বাংলাদেশ প্রায় ১৭ কোটি মানুষের একটি বড় বাজার। এর মাধ্যে প্রায় ৪৫ ভাগ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ভালো। বাংলাদেশে প্রচুর দক্ষ জনশক্তি রয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে। বাংলাদেশে কম খরচে পণ্য উৎপাদন করে সহজেই অন্যদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী জাতীয় লজিস্টিক নীতিমালা গ্রহণ করেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়। বাংলাদেশ প্রায় ১৭ কোটি মানুষের একটি বড় বাজার। এর মাধ্যে প্রায় ৪৫ ভাগ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ভালো। বাংলাদেশে প্রচুর দক্ষ জনশক্তি রয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে। বাংলাদেশে কম খরচে পণ্য উৎপাদন করে সহজেই অন্যদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী জাতীয় লজিস্টিক নীতিমালা গ্রহণ করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়। বাংলাদেশ প্রায় ১৭ কোটি মানুষের একটি বড় বাজার। এর মাধ্যে প্রায় ৪৫ ভাগ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ভালো। বাংলাদেশে প্রচুর দক্ষ জনশক্তি রয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে। বাংলাদেশে কম খরচে পণ্য উৎপাদন করে সহজেই অন্যদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী জাতীয় লজিস্টিক নীতিমালা গ্রহণ করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী ঢাকায় হোটেল ওয়েস্টিনে নরডিক চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন দূতাবাস এবং ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশনের সহযোগিতায় ‘ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফর লজিস্টিক সেক্টর’ শীর্ষক আলোচনা সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মার্কস এর কান্ট্রি ম্যানেজার আংশুমান মুস্তাফি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে বাংলাদেশ পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের জিডিপি অর্জন সন্তোষজনক ছিল। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশের সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত। আমাদের অবকাঠামো সেক্টরে বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে তিনি এসময় জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নরডিক চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট তাহরিন আনাম, এইচএসবিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান, ঢাকায় নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি ইস্ট্রুপ পেটারসেন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ইসপেন রিকটার-এসভেন্ডসেন, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজেন্ড্রা বার্গ ভন লিনডি এবং ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের হেড অফ ডেলিগেশন চার্লস হুইটলি।