বরিশালে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

108

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি বলেছেন, চরকাউয়া-চরমোনাইয়ের ভাঙন কবলিত এলাকার সমীক্ষা শেষ হয়েছে। আশা করছি জানুয়ারির মধ্যে এ এলাকায় কাজ শুরু হবে। এখানে ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাবনা একনেকে পাঠানো হবে।

আজ বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া, চরমোনাই ও চরবাড়িয়া এলাকার নদী ভাঙন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চরবাড়িয়া এলাকায় চলমান প্রকল্প শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমরা চরকাউয়া-চরমোনাই নিয়ে আরেকটি প্রকল্পের পরিকল্পনা করছি। সেই প্রকল্প আগে ৫শ কোটি টাকার প্রস্তাবনা ছিল। ভাঙনকবলিত এসব এলাকায় সমীক্ষা শেষ হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এই ৮শ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশন হয়ে একনেকে উত্থাপনের চেষ্টা করব। আমরা আশা করছি আগামী জানুয়ারির মধ্যে এই কাজটি শুরু হবে। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের ব্যয় ৮শ কোটি টাকা হবে বলে জানান তিনি।

জাহিদ ফারুক আরও বলেন, আমি এই এলাকার সংসদ সদস্য। নদী ভাঙন এলাকা সব সময় আমি নিজে গিয়ে দেখি। এটা আমার দায়িত্ব। অতীতেও অনেকবার নদী ভাঙন এলাকায় গিয়েছি। প্রতিবারই যখন সময় পাই নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে যাই।

তিনি আরো বলেন, বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন হচ্ছে। আজকে আমি চরকাউয়া, লামছড়ি, বুখাইনগর ভুঁইয়াবাড়ি, নিমাই হাওলাদার বাড়ি এলাকা দেখেছি। এই এলাকাগুলোতে নদী ভাঙন কবলিত এলাকা। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শন করেছি। ভাঙন কবলিত এলাকা দেখে যেখানে যেখানে কাজ করতে হবে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছি, সেভাবে কাজ হবে।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাজাবুবুর রহমান, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুতদুল হক খান মামুনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বরিশালের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, চরকাউয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের খালের ওপারে নদী ভাঙন ঠেকাতে প্রাথমিকভাবে দশ হাজার বস্তা জিও ব্যাগ ফেলে এই মৌসুমের ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অধিকাংশ ব্যাগ ভাঙন কবলিত এলাকায় ফেলা হয়েছে। বাকি যা রয়েছে সেগুলোও শিগগিরই ফেলানো হবে। এবং প্রকল্প পাস হয়ে এলে ভাঙনরোধে স্থায়ীভাবে কাজ শুরু হবে।