বঙ্গে ঋতু উৎসব শুরু করে ছায়ানট

65
বঙ্গে ঋতু উৎসব শুরু করে ছায়ানট
বঙ্গে ঋতু উৎসব শুরু করে ছায়ানট

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ঋতু উৎসবের শুরু মূলত রবীন্দ্রনাথের হাত ধরেই। তিনি সকল ঋতুকে নিয়েই লিখেছেন। এ বঙ্গে ঋতু উৎসব শুরু হয় ষাটের দশকে রাজধানী ঢাকায় ছায়ানটের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে ঢাকা ছাড়িয়ে সারাদেশে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির সবচেয়ে বড় এ অসাম্প্রদায়িক উৎসব ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, শীত, হেমন্ত ও বসন্ত- এ ছয়টি ঋতুতেই বাংলার প্রকৃতি নতুন রূপে এবং নতুন সাজে ধরা দেয়।

স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পহেলা বৈশাখে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন বলেও জানান সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। 

প্রতিমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজিত দুদিনব্যাপী শরৎ উৎসব-১৪২৯ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নৃত্যশিল্পী ড. নিগার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।

প্রতিমন্ত্রী শরতের বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ঢাকার পূর্বাচল ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার খোলা স্থানসমূহ, উত্তরা ও আফতাবনগরে কাশফুল বন দেখতে পাওয়া যায়। পদ্মা সেতু পার হওয়ার সময় নদীর দু’দিকে পদ্মার চরেও কাশফুলের দেখা মেলে।

তিনি আরও বলেন, শরতের বিকেল অসাধারণ। সাদা মেঘের ভেলা ও কাশফুলের শুভ্রতা মন জুড়িয়ে দেয়। এ ঋতুকে আমি খুব উপভোগ করি।