ফুলছড়িতে কালাজ্বর নির্মূল বিষয়ে অবহিতকরণ সভা

ফুলছড়িতে কালাজ্বর নির্মুল বিষয়ে অবহিতকরণ সভা
ফুলছড়িতে কালাজ্বর নির্মুল বিষয়ে অবহিতকরণ সভা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার ফুলছড়িতে কালাজ্বর নির্মুল কার্যক্রম জোরদার করণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ব্যবস্থাপনায় এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার, ৯ মে সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে কালাজ্বর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জি.এম সেলিম পারভেজ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সহকারী পরিচালক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস- চেয়ারম্যান আঞ্জুমনোয়ারা বেগম মেরী, জাতীয় কালাজ্বর নির্মূল কর্মসূচির ডাটা ম্যানেজার পঙ্কজ ঘোষ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কীটতত্ত্ববিদ আলতাফ হোসেন, কালাজ্বর নির্মূল কর্মসূচির ইএমই আসাদুজ্জামান ও মোঃ ইশা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. রাকিবুল হাসান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ এবং উপজেলা আনছার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

অবহিতকরণ সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, শিক্ষক, ইমাম, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

সভায় জানানো হয়, অতি ক্ষুদ্র বালু মাছি কামড়ালে রোগীর শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে এই রোগ ছড়ায়। টানা এক সপ্তাহ বা এর বেশি সময়কাল শরীরে জ্বর থাকলে বা থেমে থেমে আসলে অবশ্যই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে। কালাজ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের রক্তকণিকাগুলো কমে গিয়ে রক্তস্বল্পতার সৃষ্টি করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। শরীরের ওজন কমে যাওয়া ও চামড়া কালচে হয়ে আসে। সঠিকভাবে চিকিৎসা করলে এ রোগ ভালো হয়ে যায়। না হলে কয়েক বছরের মধ্যে অধিকাংশ কালাজ্বরের রোগী মারা যায়। কালাজ্বরের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হলেও সরকার সম্পূর্ণ বিনা খরচে এ রোগের চিকিৎসা করে থাকে।