ফায়ার ফাইটার রানার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

68
ফায়ার ফাইটার রানার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন
ফায়ার ফাইটার রানার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

ফায়ার ফাইটার রানার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে আগুন নেভাতে গিয়ে নিহত মানিগঞ্জের ছেলে ফায়ার ফাইটার রানা মিয়ার (২২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে শিবালয় উপজেলার নবগ্রামে নিজ বাড়িতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।  এসময় উপস্থিত ছিলেন শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদুর রহমান ও মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক শহিদুল ইসলাম।

শিবালয় উপজেলার নবগ্রামের পান্নু মিয়ার বড় ছেলে রানা মিয়া। রানার মা, ছোট এক ভাই ও বোন রয়েছে। সেই ছিলো সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। চট্টগ্রামের কুমিরা ফায়ার স্টেশনে ফায়ার ফাইটার হিসাবে কর্মরত ছিলেন রানা মিয়া। ২০২০ সালে তিনি চাকরিতে যোগ দেন। শনাক্ত হওয়ার পর আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মরদেহ শিবালয়ে আনা হয়। এ সময় তার স্বজন ও গ্রামবাসী কান্নায় ভেঙে পড়েন

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় রানাকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে আগুন নেভাতে গিয়ে নিহত মানিগঞ্জের ছেলে ফায়ার ফাইটার রানা মিয়ার (২২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে শিবালয় উপজেলার নবগ্রামে নিজ বাড়িতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।  এসময় উপস্থিত ছিলেন শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদুর রহমান ও মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক শহিদুল ইসলাম।

শিবালয় উপজেলার নবগ্রামের পান্নু মিয়ার বড় ছেলে রানা মিয়া। রানার মা, ছোট এক ভাই ও বোন রয়েছে। সেই ছিলো সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। চট্টগ্রামের কুমিরা ফায়ার স্টেশনে ফায়ার ফাইটার হিসাবে কর্মরত ছিলেন রানা মিয়া। ২০২০ সালে তিনি চাকরিতে যোগ দেন। শনাক্ত হওয়ার পর আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মরদেহ শিবালয়ে আনা হয়। এ সময় তার স্বজন ও গ্রামবাসী কান্নায় ভেঙে পড়েন