প্রবাসী ভাগ্নেকে বিয়ের জন্য মামীর অবিশ্বাস্য কান্ড

317
মামী তার পরকীয়া প্রেমিক ভাগ্নেকে কাছে পাওয়ার জন্য এতটাই উদগ্রীব হয়ে পড়েছেন যে, লাজলজ্জার মাথা খেয়ে বিয়ের দাবিতে ভাগ্নের বাড়িতে অনশনে বসে গেছেন। শুধু তাই নয়, বিয়ে না হলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।
মামী তার পরকীয়া প্রেমিক ভাগ্নেকে কাছে পাওয়ার জন্য এতটাই উদগ্রীব হয়ে পড়েছেন যে, লাজলজ্জার মাথা খেয়ে বিয়ের দাবিতে ভাগ্নের বাড়িতে অনশনে বসে গেছেন। শুধু তাই নয়, বিয়ে না হলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

মামী তার পরকীয়া প্রেমিক ভাগ্নেকে কাছে পাওয়ার জন্য এতটাই উদগ্রীব হয়ে পড়েছেন যে, লাজলজ্জার মাথা খেয়ে বিয়ের দাবিতে ভাগ্নের বাড়িতে অনশনে বসে গেছেন। শুধু তাই নয়, বিয়ে না হলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্দী গ্রামে।

আজ থেকে প্রায় ১৩ বছর আগে ২০০৯ সালে পাশের গ্রামের প্রবাসী বিল্লাল হোসেনকে বিয়ে করেছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা গ্রামের দেওয়ান বাড়ির মেয়ে সীমা আক্তার। টেলিফোনে তাদের বিয়ে হয়েছিল। বিল্লাল হোসেন বিদেশে থাকার সুযোগে তার ভাগ্নে আনোয়ার হোসেন মানিক মামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে মামীর আপত্তিকর কিছু ছবি তুলে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করেন। অগত্যা ভাগ্নের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন সীমা আক্তার। অবাধে নিজ বাড়িতেই মেলামেশা করতে থাকেন তারা। মামী-ভাগ্নে সম্পর্ক থাকায় তাদের পরকীয়া সম্পর্কের কথা কেউ বুঝতেই পারেননি।

শুরুতে ভাগ্নের সঙ্গে প্রেমের কথা কেউ জানতে না পারলেও ধীরে ধীরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। এক কান দুই কান করে সেই খবর পৌঁছে যায় বিদেশে থাকা স্বামীর কাছে। এরপর আর বিয়ে টিকিয়ে রাখতে পারেননি সীমা আক্তার।

প্রবাসী বিল্লালের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর তাকে বিয়ে করবেন বলে কথা দেন লম্পট ভাগ্নে মানিক। বিয়ের প্রতিজ্ঞা করে ২০১৮ সালের দিকে দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যান পরকীয়া প্রেমিক মানিক। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজখবর নেননি সীমার।

এদিকে পরিবারের সদস্যদের কথায় বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন সীমা আক্তার। গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের এনামুল হককে বিয়ে করলেও পরকীয়া প্রেমিক মানিকের কথা জানতে পেরে সীমাকে তালাক দেন তার দ্বিতীয় স্বামী।

সীমা আক্তার বলেন, মানিক আমাকে দিনের পর দিন স্ত্রীর মতো ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। মানিকের জন্যই আজ আমার এই দুরবস্থা। সে আমাকে বিয়ে না করলে আমি আত্মহত্যা করব।

ফরিদগঞ্জ থানা সূত্রে জানা গেছে, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন সীমা আক্তার। একটা মামলাও চলমান রয়েছে। ঘটনাটি মীমাংসা করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাটি জানতে পেরেছেন।অভিযোগ পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।