পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে ভোলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা

121
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে ভোলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে ভোলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা

কামরুজ্জামান শাহীন, ভোলা থেকে : পুলিশ-বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনা তদন্ত ও নিহত এবং আহতদের পবিবারের সদস্যদের সহমর্মিতা জানাতে কেন্দ্রীয় বিএনপির ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল এখন ভোলায়।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে তারা ভোলায় এসে পৌঁছেন বলে ভোলা জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক হারুন আর রসিদ ট্রুম্যান নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দন বীর বিক্রম, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাভোকেড জয়নুল আবদীন , সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাফিজ ইব্রাহীম, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

এছাড়া কেন্দ্রীয় নেতাদের সফরসঙ্গী হিসেবে আরো আসছেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক রফিকুর ইসলাম, সহ-সাধারন সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, শিমুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো, নুরে আলম জাবেদ, শাহীন ও সাবেক ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম তুহিন প্রমূখ।

উল্লেখ্য-গত ৩১ জুলাই রোবরার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যূৎতের লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ভোলা জেলা বিএনপি শহরের মহাজনপট্টি দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শেষে নেতা-কর্মী বিক্ষোভ মিছিল করতে রাস্তায় নামলে পুলিশ লাঠিপেটা করে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ এর জবাবে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ও শটগানের গুলি ছোড়ে।

এই ঘটনার সঠিক তদন্তের জন্য গত ২ আগস্ট মঙ্গলবার বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে প্রধান করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত টিম গঠন করেন।