পার্টিতে বুনো নাচের ভিডিও ফাঁসে ফেঁসে গেছেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী (ভিডিও)

170

ফিনল্যান্ডের নারী প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন। বর্তমানে তার বয়স ৩৬ বছর। ২০১৯ সালে যখন তিনি ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন তখন বিশ্বের সর্বনিম্ন বয়সের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন তিনি। পরে অবশ্য তার সেই তকমা ছিনিয়ে নেন চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক। ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন সম্প্রতি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।

গ্রীষ্মকালে এক পার্টিতে সানার সম্মতিতেই বুনো ও উদ্দাম নাচের ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি ওই ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওতে মদ খেতেও দেখা গেছে সুদর্শিনী সানাকে।

এমন কান্ড ঘটানোয় সানাকে নিয়ে চলছে নানা মুখরোচক আলোচনা আর সমালোচনা। প্রধানমন্ত্রীর মতো দায়িত্বশীল পদে থেকেও এমন কীর্তি ঘটানোয় সানাকে কুপোকাত করার দারুন সুযোগ পেয়ে গেছে ফিনল্যান্ডের বিরোধী রাজনৈতিক শিবির। তাদের চাপের মুখে ড্রাগ টেস্ট করাতেও বাধ্য হয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান।

পার্টি, নাচ, মদ্যপানের কথা অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন সানা। তবে তিনি দাবি করেছেন, কোনো রকম অবৈধ মাদক গ্রহণ করেননি তিনি। এছাড়া একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস করায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তার ভাষ্য, এই ভিডিও আমার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। সেটা সবার সামনে ফাঁস হওয়ায় আমি খুব বিরক্ত। এটা ঠিক যে, পার্টিতে আমি বন্ধুদের সাথে হইচই করেছি, নেচেছি, গেয়েছি। রাত জেগে পার্টি করেছি।

সানা আরও বলেন, এটা নিতান্তই আমার ব্যক্তিগত বিষয়। এসব কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে আমি কোনো রকম আইন ভঙ্গ করিনি। ভিডিও ফাঁসের মধ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে। কোনোভাবেই ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হওয়ার কথা না। স্রেফ মজার অংশ হিসেবে আমি নিজ ইচ্ছাতেই ভিডিও করেছিলাম। কিন্তু ব্যক্তিগত সেই মুহূর্তের ভিডিও এভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস করা হবে তা আমি জানতাম না।

পার্টিতে অ্যালকোহল ছাড়া অন্য কোনো রকম অবৈধ মাদক গ্রহণ করেননি বলে দাবি করেছেন সানা। তারপরও ড্রাগ টেস্ট করিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি ড্রাগ টেস্ট করিয়েছি। সাত দিনের মধ্যেই ফলাফল জানা যাবে। বাল্যকাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত কখনোই অবৈধ মাদক নিই আমি। তারপরও আমি ড্রাগ টেস্ট করিয়েছি। কারণ আমি চাই, সত্যটা সামনে আসুক। সবাই নিশ্চিত হোক যে, আমি পার্টিতে মাদক গ্রহণ করিনি।