পাবনায় বন্ধ হলো ২০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক

89
পাবনায় বন্ধ হলো ২০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক
পাবনায় বন্ধ হলো ২০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক

তারেক খান, পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ বৈধ কাগজপত্র না থাকায় পাবনায় আরও ২টি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এনিয়ে পাবনায় ২০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়া হলো।

অভিযানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় পাবনা সদর হাসপাতাল রোডের সৌদিয়া হাসপাতাল (ক্লিনিক) এবং হেলথ কেয়ার ক্লিনিক (হাসপাতাল) সিলগালা করে দেয়া হয়। এছাড়াও শহরের খেয়াঘাটের আলফা প্লাস ডায়াগনসিসে অভিযান গেলে ক্লিনিক তালা অবস্থায় পাওয়া যায়।

এর আগে গত সোমবার (৩০ মে) দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় পাবনায় ১৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সিলগালা করা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো হলো- পাবনার শালগাড়ীয়ার এসোট গ্যাস পাম্প এলাকার মায়ের আঁচল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, টার্মিনাল মক্কা প্লাজার গ্লোরিয়াস হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পাবনার সদর হাসপাতাল রোডের মধুপুর ক্লিনিক, নদী ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফরিদপুরের লাইফ কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেড়ার নাটিয়াবাড়ি ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফরিদপুরের তেতুলতলা মোড়ের কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চাটমোহরের জনতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শহীদ মিথুন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সাঁথিয়ার আতাইকুলার মোহনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হালিমা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ যমুনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেড়া হাসপাতালের সামনের সরকার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেড়ার শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিঅ্যান্ডবি বাজারের বিল্লাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দাশুড়িয়ার সৃষ্টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

পাবনা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম মোস্তাফিজুর রহমানে জানান, হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক পাবনার সিভিল সার্জন স্যারের নির্দেশে আমরা আজ দুটি ক্লিনিক সিলগালা করে দিয়েছি। তাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সিভিল সার্জন অফিসে আসতে বলেছি। তাদের কাগজপত্র ঠিক করে নিয়ে আসলে ক্লিনিকগুলো খুলে দেয়া হবে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পাবনা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. কে এম সালাউদ্দিন অভি, স্যানিটারি ইন্সপেকটর মো. এজাজুল ইসলাম ও প্রধান সহকারী মো. জামাল উদ্দিন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মে সারা দেশের অনিবন্ধিত সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপরই সারা দেশের ন্যায় পাবনা জেলাতেও এই অভিযান শুরু হয়েছে।