পাচার করা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিতে চান অর্থমন্ত্রী (ভিডিও)

104
সংসদে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিভিন্নভাবে অবৈধ উপায়ে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, ৯ জুন বাজেট পেশ করার সময় পাচার হওয়া সেসব টাকা বৈধকরণের প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।
সংসদে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিভিন্নভাবে অবৈধ উপায়ে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, ৯ জুন বাজেট পেশ করার সময় পাচার হওয়া সেসব টাকা বৈধকরণের প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।

সংসদে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিভিন্নভাবে অবৈধ উপায়ে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, ৯ জুন বাজেট পেশ করার সময় পাচার হওয়া সেসব টাকা বৈধকরণের প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।

অবৈধভাবে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া বিপুল পরিমাণ কালো টাকা কর দিয়ে সাদা করার পক্ষে যুক্তি দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কর প্রদানের মাধ্যমে এসব পাচার হওয়া অবৈধ টাকা বৈধ হয়ে গেলে তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার আর কোনো রকম সুযোগ থাকবে না।

বিদেশে অর্জিত অর্থ ও সম্পদ দেশীয় অর্থনীতির মূল স্রোতে আনার মাধ্যমে বিনিয়োগ এবং আর্থিক প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়কর অধ্যাদেশে নতুন বিধান যুক্ত করারও প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য, প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী বিদেশে অবস্থিত যে কোনো সম্পদের ওপর কর পরিশোধ করা হলে আয়কর কর্তৃপক্ষসহ যে কোনো কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করবে না।

বিদেশে অর্জিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে আনা না হলে এর ওপর ১৫ শতাংশ, বিদেশে থাকা অস্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে আনা না হলে ১০ শতাংশ এবং বাংলাদেশে পাঠানো নগদ অর্থের ওপর ৭ শতাংশ হারে করারোপের প্রস্তাব করে অর্থমন্ত্রী জানান, এই সুযোগ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, সারাবিশ্বে করোনা মহামারির কারণে ও চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হতে পারে। কাজেই আর্থিক নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেক বেশি বিচক্ষণ ও দূরদর্শী পথ অবলম্বন করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকারি ব্যয় নির্বাহের জন্য একদিকে আমাদের অধিক পরিমাণে রাজস্ব জোগান দিতে হবে, অন্যদিকে বেসরকারি খাতেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনতে হবে। প্রস্তাবিত বিধান কার্যকর হলে অর্থনীতির মূল স্রোতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়বে। আয়কর রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। করদাতারাও বিদেশে অর্জিত অর্থ ও সম্পদ আয়কর রিটার্নে প্রদর্শনের সুযোগ পেয়ে স্বস্তিবোধ করবেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, তার প্রস্তাব অনুমোদন পেলে বিদেশে পাচারকৃত টাকা দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। সেই টাকা অর্থনীতির মূল স্রোতে মিশে যাবে। এতে করে সংকট উত্তরণের পথ সুগোম হবে এবং দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকবে।

ভিডিও দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন :

https://youtu.be/dvozfr3_DGg