নাটোরে তরুণী গ-ণ-ধ-র্ষ-ণ ও ভিডিও ধারণ, নারীসহ আটক ৫ (ভিডিও)

273

খন্দকার তানজিবুল, নাটোর থেকে : নাটোরের স্টেশন হাফ রাস্তা এলাকায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গ-ণ-ধ-র্ষ-ণে-র শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে নাটোর সদর থানা পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজন সরাসরি এই অপকর্মে জড়িত। বাকি দুজন তাদের সহযোগী।

মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের হাফরাস্তা এলাকার সাগর মিয়ার ভাড়া বাসায় এই ধ-র্ষ-ণে-র ঘটনা ঘটে। ঘটনার অভিযোগ পেয়ে অভিযানে নামে নাটোর সদর থানা পুলিশ। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার অভিযানে সদর উপজেলার তেলকুপি নুরানীপাড়া এলাকা থেকে সরাসরি জড়িত তিনজনসহ মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন- শহরের কানাইখালী এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রনি মিয়া, একই এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে সোহান এবং মরহুম মোহাম্মদ আলীর ছেলে রকি। এছাড়া এই ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মৃদুল হোসেন এবং তার স্ত্রী মিথিলা পারভীনকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর বিনোদপুর থেকে আবির (২১) নামে এক দোকান কর্মচারী তার এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রেমিকাকে নিয়ে নাটোর আসেন। স্থানীয় এক বন্ধু তাদের বিয়ে দেয়ার কথা বলে হাফরাস্তা এলাকায় মৃদুল ও মিথিলা দম্পতির বাসায় নিয়ে যান।

এক পর্যায়ে মৃদুল ও মিথিলা দম্পতি রনি, রকি ও সোহানকে ডেকে নিয়ে যান তাদের বাসায়। এ সময় রনি, রকি ও সোহান ছাত্রীর গলায় চা-কু ধরে সংঘবদ্ধভাবে ধ-র্ষ-ণ করেন। শুধু তাই নয়, ধ-র্ষ-ণে-র ভিডিও ধারণও করেন তারা। পরে টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ধ-র্ষ-ণে-র ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকিও দেন। তরুণ-তরুণী ছাড়া পেয়ে রাত ১১টার দিকে নাটোর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।

মঙ্গলবার ঘটনার রাতেই মিথিলা ও মৃদুল দম্পতিকে ঘটনাস্থল হাফরাস্থা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে বুধবার ভোরে তেলকুপি নুরানীপাড়া থেকে রনি, রকি ও সোহানকে আটক করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাটোর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দীন বলেন, আমরা তরুণীর অভিযোগ পাওয়ার পরপরই রাত আনুমানিক পোনে ১টার দিকে অভিযান শুরু করি। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের অবস্থান তেলকুপি এলাকায় জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।