নজরুলই প্রথম বাংলায় গজল গান রচনা করেছেন : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

78
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, নজরুলই প্রথম বাংলায় গজল গান রচনা করেছেন। বাংলার আনাচে-কানাচে যে গজল গান ছড়িয়ে পড়েছিল সুরের মূর্ছনায় তা সবই নজরুলের। তাঁর গজলে আছে ইরানি কাব্যসুষমার লালিত্য ও ভারতীয় সংগীতের অপূর্ব সুর। নজরুলের গজল তাই সৃষ্টি রসে অতুলনীয়। তাঁর গজলে অবশ্য ইরানি মহাকবি হাফিজের প্রভাব লক্ষণীয়। সেই সঙ্গে ওমর খৈয়ামেরও।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, নজরুলই প্রথম বাংলায় গজল গান রচনা করেছেন। বাংলার আনাচে-কানাচে যে গজল গান ছড়িয়ে পড়েছিল সুরের মূর্ছনায় তা সবই নজরুলের। তাঁর গজলে আছে ইরানি কাব্যসুষমার লালিত্য ও ভারতীয় সংগীতের অপূর্ব সুর। নজরুলের গজল তাই সৃষ্টি রসে অতুলনীয়। তাঁর গজলে অবশ্য ইরানি মহাকবি হাফিজের প্রভাব লক্ষণীয়। সেই সঙ্গে ওমর খৈয়ামেরও।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, নজরুলই প্রথম বাংলায় গজল গান রচনা করেছেন। বাংলার আনাচে-কানাচে যে গজল গান ছড়িয়ে পড়েছিল সুরের মূর্ছনায় তা সবই নজরুলের। তাঁর গজলে আছে ইরানি কাব্যসুষমার লালিত্য ও ভারতীয় সংগীতের অপূর্ব সুর। নজরুলের গজল তাই সৃষ্টি রসে অতুলনীয়। তাঁর গজলে অবশ্য ইরানি মহাকবি হাফিজের প্রভাব লক্ষণীয়। সেই সঙ্গে ওমর খৈয়ামেরও।

প্রতিমন্ত্রী ৩১ মে, মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে জাদুঘর আয়োজিত ‘কাজী নজরুল ইসলামের গজল: বাংলা গানের মাইলফলক’ শীর্ষক সেমিনার-আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, প্রিয়তম সন্তান বুলবুলের মৃত্যুর পর কবি নজরুল মুষড়ে পড়েছিলেন। তখন তিনি আধ্যাত্মিকতার পথে ধাবিত হয়েছিলেন। আমাদেরও সে পথে অনুপ্রাণিত করেছেন। সে সময় তিনি রচনা করেছেন অসংখ্য ইসলামি গান, গজল, হামদ, নাত প্রভৃতি। তাঁর ইসলামি গানে পাওয়া যায় সমাজ সচেতনতা, সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতা, সংগ্রাম ও শান্তির বারতা।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অভ্ ট্রাস্টিজ’র সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি সচিব মোঃ আবুল মনসুর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. প্রিয়াংকা গোপ। আলোচনা করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী ও অনুবাদক অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।