টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার কি শেষ মাহমুদুল্লাহর?

112
টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার কি শেষ মাহমুদুল্লাহর?
টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার কি শেষ মাহমুদুল্লাহর?

সাদা পোশাকে হতশ্রী পারফরম্যান্সের কারণে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে টেস্ট ক্রিকেটে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে বলেছিলেন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। তাকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর জানিয়েছিলেন, ‘ভালো কিছু করলেই তাকে দলে ফেরানো হবে।’ বাদ পড়ার ১৬ মাস পর দলে ফেরেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, হারারেতে শতক হাঁকিয়ে আচমকা বিদায় বলে দেন টেস্ট ক্রিকেটকে!

মাহমুদুল্লাহর এমন অবসর কাণ্ড বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানত না। টেস্ট ক্রিকেট থেকে বাদ পড়া, আবার ফেরা-অভিমান থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা ছিল নিশ্চিত। একুশের সেপ্টেম্বরে মাহমুদুল্লাহর অবসর নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। টেস্ট ক্রিকেটকে অভিমান করে বিদায় বলে দিলেও বছর না ঘুরতেই ছাড়তে হলো টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বও। শুধু তাই নয়, জায়গা হয়নি টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডেও।

টেস্টে মাহমুদুল্লাহর অবসর নিয়ে টের না পেলেও টি-টোয়েন্টিতে থেকে ছাঁটাইয়ের আগে হয়েছে অনেক আলোচনা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাহমুদুল্লাহ নেতৃত্ব হারাচ্ছেন এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়। অতঃপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ফেরার পর দিনই তার সঙ্গে বৈঠকে বসে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। সঙ্গে ছিলেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন ও তিন নির্বাচক।

বৈঠকে মাহমুদুল্লাহকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় তাকে নেতৃত্বে না রাখার বিষয়টি। তারই পদক্ষেপ হিসেবে জিম্বাবুয়ে সিরিজে দায়িত্ব দেওয়া হয় তরুণ নুরুল হাসান সোহানকে। বিসিবির ভাষায় নতুন ব্র্যান্ডের টি-টোয়েন্টি টিম গঠনের ধাপ হিসেবেই এই পরিবর্তন।

মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকের পর জালাল ইউনুস বলেন, ‘এই দলটাকে সামলানোর জন্য নুরুল হাসান সোহানকে অধিনায়কত্ব দিচ্ছি। সেটা আমরা আজকে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে জানিয়ে দিয়েছি। মুশফিকও জানে, সাকিবও জানে। তাদের জায়গায় আমরা নতুন খেলোয়াড় চেষ্টা করছি। এটা শুধু জিম্বাবুয়ে সিরিজের জন্য দেখতে চাচ্ছি তাদের ফলাফল, পারফরম্যান্স কি হয়। সেটা দেখার জন্য আপনারা বলতে পারেন নতুন ব্র্যান্ডের একটা দল যাচ্ছে।’