ঝিনাইগাতীতে বন্যার কবলে পড়ে পানিতে বন্দী হাজারো পরিবার

106
ঝিনাইগাতীতে বন্যার কবলে পড়ে পানিতে বন্দী হাজারো পরিবার
ঝিনাইগাতীতে বন্যার কবলে পড়ে পানিতে বন্দী হাজারো পরিবার

গোলাম রব্বানী-টিটু:(শেরপুর)প্রতিনিধি: উজান থেকে বয়ে আসা আজ শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই আকস্মিক রাক্ষসী বন্যায় মহারশি নদির পানিতে কবলে পড়ে হাজার হাজার পরিবার পানিতে বন্ধী হয়ে পড়েছে ।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় আকস্মিক বন্যার পানিতে ভাটি এলাকায় বন্দী হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। আজ শুক্রবার এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় সকালে উজান থেকে নেমে আসা মহারশি নদিতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে নিমিষেই বন্যায় রুপান্তিত হয়ে উপজেলার সদর, উপজেলা পরিষদ সহ সর্বত্রে পানি প্রবেশ করে ভয়াবহ বন্যার গ্রাসে পড়ে উপজেলাবাসী।

এই বন্যায়,রাস্তাঘাট, পুকুরের মাছ, সদ্য রুপনকৃত কৃষকের বীজতলা,সহ সরকারী অফিসের আসবাবপত্র বিনষ্ট হয়ে যায় । ঝিনাইগাতী বাজারে প্রায় হাজার ব্যবসায়ীর দোকানে পানি প্রবেশ করার ফলে দোকানপাঠ বন্ধ থাকায় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয় ।

মহরশী নদির পূর্ব এলাকার বেরীবাধ ভেঙে বনকালি,দিঘিরপাড়,চতল,রামেরকুড়া,বৈরাগীপাড়া, মরিয়মনগর,তালতলা সহ ৩০টি গ্রামে প্রবল স্্েরাতে পানি প্রবেশ করে শতশত হেক্টর জমির ক্ষতি সাধিত হয়েছে ।

বেনিয়াম নামের একজন খামারির ডিমপাড়া ২১০০ কক মুরগী সহ ঘর ভাসিয়ে নেয় এই বন্যায় । বিকালের দিকে পানি নেমে গেলেও ভাটি এলাকার বগাডবি ,পাগলারমুখ,সূরিহারা,কালিনগর,বাঘেরভিটা,রনগাও তিনআনী, কয়রোড,হাতিবান্ধা,মালঝিকান্ধা সহ অনেক গ্রামের মানুষ পানিতে বন্দী হয়ে পড়েছে । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ আজ সকালে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন । এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ ও জিআর চালের বরাদ্ধ পাওয়া গেছে জানিয়ে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের চৌকসের একটি দল পানিতে বন্ধী থাকা শিশু সহ ৫জন কে উদ্ধার করেছেন বলে জানান ।