ছয় তরুণের সঙ্গে এক তরুণীর প্রেম : ভাইরাল তরুণীর পক্ষে সোহানা সাবা (ভিডিও)

185

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনরা মেতেছেন সেই ভিডিও নিয়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, একসঙ্গে ছয় তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে গেছেন এক তরুণী।

বেশির ভাগ নেটিজেনই সেই তরুণীকে দোষারোপ করলেও তার পক্ষ হয়ে কথা বললেন দেশের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সোহানা সাবা। তার মতে, ওই তরুণীর চেয়ে দ্বিগুণ সম্পর্কে ছেলেরা জড়িত থাকলেও তাদের প্রশংসা করা হয়। ছেলেরা যদি একাধিক সম্পর্কে যুক্ত থাকতে পারে তাহলে মেয়েদের থাকতে পারে। এটা দোষের কিছু নয়।

ভাইরাল টপিকটির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে সোহানা সাবা লিখেছেন, অথচ কত শত ছেলেরা শুধুমাত্র ৬টা কেন, ১২টা গার্লফ্রেন্ড মেইনটেইন করে। আবার এই আমরাই তাদের পিঠ চাপড়িয়ে বাহবা দিই…।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণীকে সারপ্রাইজ দিতে চাইছেন তার এক বন্ধু। তিনি রেস্তোরাঁয় বসে দুই হাত দিয়ে তরুণীর চোখ বন্ধ করে ধরেন। এরপর চোখ খুলে দেন। তখন দেখা যায়, ধীরে ধীরে রেস্তোরাঁয় একে একে পাঁচ তরুণ প্রবেশ করেন। এরপর ওই তরুণীকে ছয় যুবক নানা অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।

এসবের মধ্যে অন্যতম অভিযোগ, মেয়েটি নাকি একসঙ্গে ছয় তরুণের সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে গেছেন। মিরপুরের একটি রেস্তোরাঁয় ছয় যুবক মিলে তরুণীর কাছে নানা প্রশ্নের উত্তর চাইছেন। এক পর্যায়ে তরুণী তার হাত থেকে কিছু একটা ছুড়ে মারেন। কেঁদেও ফেলেন।

স্টার গল্প নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রথম ভিডিওটি প্রচার করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল প্রতিক্রিয়া চলছে। দিনভর এই ঘটনায় ট্রল, সমালোচনা, মিম চালানো হয়েছে। মেয়েটির ভিডিও ডাউনলোড করে আপলোড করা হয়েছে শত শত পেজে ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টে। ইউটিউব ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আপলোড করা হয়েছে সেই ভিডিও। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করেন। নেটিজেনদের বাইরে অনেক তারকাও কথা বলেছেন এই বিষয়ে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. নাজমুল হক বলেন, মেয়েটির অপরাধ থাকলেও আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নিতে পারবে না। অনলাইন হ্যারাসমেন্ট মোটেও কাম্য নয়।

সাইবার অপরাধ বিভাগের পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, যারা এই ভিডিও বা ছবি ছড়িয়েছে তারা সাইবার অপরাধ করেছে। ওই মেয়ের ইথিক্যাল সমস্যা থাকলে সেটার সমাধান মোটেই অনলাইন হ্যারাসমেন্ট নয়। হয়তো ওই মেয়ের কাউন্সিলিং প্রয়োজন। কিন্তু কাউকে এভাবে হ্যারাস করার অধিকার কারও নেই। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যায় না।