ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ইটের আঘাতে মায়ের মৃত্যু

110
সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ইটের আঘাতে আওয়ারুন বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের উপর এখলাছপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ইটের আঘাতে আওয়ারুন বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের উপর এখলাছপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আবুল কাশেম রুমন, সিলেট থেকে : সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ইটের আঘাতে আওয়ারুন বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের উপর এখলাছপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আওয়ারুন বেগম ওই গ্রামের আব্দুল খালিকের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার নিহতের ছেলে সিএনজি অটোরিকশা চালক বলাই মিয়া অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ার সময় পানি ছিটকে সুমনের গায়ে পড়ে। এরই জের ধরে বলাই মিয়াকে থাপ্পড় মারেন সুমন।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বাড়ির পাশ্ববর্তী কালভার্টে সুমনকে পেয়ে থাপ্পড় মারার জন্য উচিত শিক্ষা দিতে চান বলাই মিয়া। এসময় আওয়ারুন বেগম ঘটনাস্থলে এসে ঝগড়া থামাতে চেষ্টা করেন এবং ছেলেকে সরিয়ে নেন। এক পর্যায়ে সুমন ক্ষুব্ধ হয়ে ইট নিয়ে বলাই মিয়াকে আঘাত করতে গেলে ইট এসে পড়ে আওয়ারুন বেগমের বুকে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে নিহতের ছেলে বলাই মিয়া ও সুমন মিয়ার ঝগড়া হয়। ওই নারী ঝগড়া থামাতে দু’জনকে সরিয়ে দেন। তার ছেলেকে দূরে সরিয়ে নিলেও এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ সুমন একটি ইট দিয়ে বলাই মিয়ার উপর নিক্ষেপ করেন। তার নিক্ষিপ্ত ইট আওয়ারুন বেগমের বুকে আঘাত করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। তাছাড়া ঘটনার সঙ্গে আর কারো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।