চট্টগ্রামে বিটিসিএল’র দুই কর্মচারীর দন্ড

101
চট্টগ্রামে বিটিসিএল’র দুই কর্মচারীর দন্ড
চট্টগ্রামে বিটিসিএল’র দুই কর্মচারীর দন্ড

মো.মুক্তার হোসেন বাবু,চট্টগ্রাম ব্যুরো: বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড চট্টগ্রামের প্রধান সহকারী কাম-ক্যাশিয়ার মো. গিয়াস উদ্দীনকে দুই বছর ও টেলিফোন অপারেটর মো. হুমায়ুন কবিরকে এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন একটি আদালত। পেনশনের ফাইল আটকে রেখে সাবেক সহকর্মীর কাছ থেকে ঘুষ

নেওয়ার অপরাধে গতকাল সোমবার বেলা আড়াইটায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে বিচারক মুনসী আবদুল মজিদ এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দীন ফেনীর সোনাগাজী এলাকার মজুপুর এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে। অপরদিকে মো. হুমায়ুন কবির চাঁদপুর জেলার টরকী গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে।

দুদক চট্টগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, ঘুষ চাওয়ার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিটিসিএলের প্রধান সহকারী কাম-ক্যাশিয়ার

মো. গিয়াস উদ্দীনকে দুই বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং টেলিফোন অপারেটর মো. হুমায়ুন কবিরকে এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন। এছাড়া ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট বেলা ১টায় বিটিসিএল চট্টগ্রামের সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়ার পেনশনের ফাইল আটকে রেখে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার সময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন সানিসহ দুদকের ট্রেপ টিমের সদস্যরা হাতেনাতে দুই

কর্মচারীকে আটক করে। পরে ওই দিন দুদকের সাবেক সহকারী পরিচালক (সজেকা চট্টগ্রাম-১) মানিক লাল দাশ বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয় ২০১৭ সালের ২১ মে, সাক্ষগ্রহণ করা হয় ২০১৭ সালের ২৪ মে।

মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে আসে ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই এবং পরদিন অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলার মোট সাক্ষী ছিল ১৪ জন। তবে সাক্ষ্য দিয়েছেন ১০ জন। যুক্তিতর্ক শুনানি হয় চলতি বছরের ১১ এপ্রিল। মামলাটি তদন্ত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম-১ এর উপ-পরিচালক মো. মোশারফ হোসেন মৃধা।