চট্টগ্রামে তীব্র গরমে শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ

86

আবদুর রহিম, ডবলমুরিং, চট্টগ্রাম থেকে : যে গরম পরের বদ্দা (ভাই)- উক্তিটি একজন শ্রমজীবি রিকশাচালকের। পেটের দায়ে এইসব শ্রমজীবী মানুষদের প্রচণ্ড সূর্যের তাপকে উপেক্ষা রিকশা নিয়ে বের হতে হয়। একজন মধ্য বয়স্ক রিকশাচালক বলেন, ভাই এই গরমে পেটের দায়ে ঘর থেকে বের হলাম, গাড়ি না চালালে উপোস থাকতে হবে তাই কষ্ট হলেও এই তীব্র গরমে আমাদের বাহিরে বের হতে হয়। 

চলছে বর্ষাকাল। ছোটকালে পাঠ্যপুস্তকে পড়েছি আষাঢ়- শ্রাবণ দুইমাস বর্ষাকাল কিন্তু প্রকৃতি বিরুপ। এমন বর্ষা মৌসুমেও  ঝড়ো-হাওয়া বৃষ্টি না হয়ে তীব্র তাপদাহ চলছে সারাদেশের মত চট্টগ্রামেও। ভ্যাপসা গরম আর তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন । আজ রবিবার  চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়  ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ ধরণের তাপদাহ আরো দুই-তিনদিন থাকবে বলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানান। 

তীব্র এই গরমে সাধারণ খেঁটে খাওয়া মানুষের বেশী কষ্ট হচ্ছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে তীব্র এই গরমে শিশু স্বাস্থ্য বিভাগে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা। ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশু জ্বর, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। চিকিৎসকরা এই তাপদাহ থেকে শিশুদের বিশেষ যত্ন নিতে অভিভাবকদের অনুরোধ জানান এবং কর্মজীবি ও সাধারণ মানুষদের যতটুকু সম্ভব সূর্যের তাপ এড়িয়ে চলাচল করা ও বেশি বেশি পানি পান করার পরামর্শ দেন।