গায়ে জামাকাপড় আছে, খুব খারাপ আছি মনে করি না: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

95
গায়ে জামাকাপড় আছে, খুব খারাপ আছি মনে করি না: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
গায়ে জামাকাপড় আছে, খুব খারাপ আছি মনে করি না: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, গ্রামগঞ্জের কোনো মানুষ না খেয়ে নেই। প্রত্যেক মানুষের গায়ে জামাকাপড় আছে। আমি মনে করি না, আমরা খুব খারাপ অবস্থায় আছি।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘নিত্যপণ্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি : জনজীবনে চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক নগর সংলাপে এ কথা বলেন তিনি। এ সংলাপের আয়োজন করে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাজুল ইসলাম বলেন, আমদানির জন্য কারেন্ট অ্যাকাউন্টে (চলতি হিসাবে) ঘাটতি আছে। কিন্তু দেশে রিজার্ভ আছে। রিজার্ভ দিয়ে এটা কভার করা যাবে। আমরা প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণের আমদানি করছি। এতে একদিকে আমাদের ওপর চাপ আসছে, আরেক দিকে দেখে খুশিও লাগছে যে, বাংলাদেশ মাসে ৮ বিলিয়ন ডলার আমদানি করে।

চলমান সংকট নিরসনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে গোটা বিশ্বই টালমাটাল। সবকিছু নিয়েই মানুষ আতঙ্কিত। এ অবস্থায় বিশ্বে কী হতে যাচ্ছে, ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। তবে একাত্তরের মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাই কাজ করলে এবারও আমরা বিজয়ী হব।

তিনি আরও বলেন, সব ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়া যায় না। সরকার কাকে ভর্তুকি দেবে? ধনীকে না গরিবকে? সবখানে ভর্তুকি দিলে অন্য খাতগুলো শৃঙ্খলা হারাবে। ভর্তুকি কোথায় দিতে হবে, সরকার সেটি অ্যানালাইসিস করে তারপর দেয়।

নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অমিতোষ পালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল মামুনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অরুণ কর্মকার। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. রিয়াজুল হক, পদ্মা অয়েল কোম্পানির পরিচালক সুজাদুর রহমান প্রমুখ।