কিশোর বলাৎকারের ঘটনায় ফেনী মডেল থানার ড্রাইভার বরখাস্ত

407
ফেনীতে অবৈধ মালামাল বহন করার অজুহাত দেখিয়ে এক কিশোরকে একাধিকবার বলাৎকারের অভিযোগে মোঃ ইউনুস নামে ফেনী মডেল থানার গাড়ি চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই বরখাস্ত করা হয়।
ফেনীতে অবৈধ মালামাল বহন করার অজুহাত দেখিয়ে এক কিশোরকে একাধিকবার বলাৎকারের অভিযোগে মোঃ ইউনুস নামে ফেনী মডেল থানার গাড়ি চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই বরখাস্ত করা হয়।

শেখ আশিকুন্নবী সজীব, ফেনী প্রতিনিধি : ফেনীতে অবৈধ মালামাল বহন করার অজুহাত দেখিয়ে এক কিশোরকে একাধিকবার বলাৎকারের অভিযোগে মোঃ ইউনুস নামে ফেনী মডেল থানার গাড়ি চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরের মা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। তার অভিযোগ, তার ছেলে শহরের একটি দোকানে চাকরি করে। গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে দোকান বন্ধ করে রামপুরস্থ বাড়ি ফিরছিল সে। মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে পৌঁছালে পথিমধ্যে গতিরোধ করে ওই কিশোরের কাছে অবৈধ মালামাল আছে অজুহাতে তাকে আটক করা হয়। পরে একই এলাকার নাইট হোল্ড নামের একটি হোটেলে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে বলাৎকার করে। এরপর ২৪ ডিসেম্বর নির্জন স্থানে নিয়ে থানার গাড়িতে আবার বলাৎকার করে।

চলতি বছরের ৫ মার্চ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মোঃ ইউনুস নতুন মোবাইল সেট উপহার দেয়ার লোভ দেখিয়ে তার নিজ গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী নিয়ে যায় ওই কিশোরকে। সেখানে বাড়ির একটি কক্ষে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

পরে কিশোরটি উপহারের সেই মোবাইল সেট অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গাড়িচালক পুলিশ সদস্য মোঃ ইউনুস মোবাইল সেটটি চুরি হয়েছে মর্মে থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। পরে মোবাইল সেটটি পুলিশ উদ্ধার করলে কিশোরের মা ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। এই ঘটনায় ১৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করেন।

এ প্রসঙ্গে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, ঘটনায় তদন্ত পূর্বক সত্যতা পেয়ে আসামী ইউনুসকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।